#সংক্ষেপে_নাস্তা!
            #গল্পঃধর্ষিতা_বউ     
        #লেখকঃসোহেল_মাহমুদ
                 #পর্বঃ৭



হুমমম হয়েছে হয়েছে।এবার চলুন।কোথায় যাব?কেন?কোথাও যাওয়ার মত মুখ তো আমার নেয়।ভুল।আচ্ছা, আপনার অন্য কোথাও যেতে হবে না। আপনি আপনার বাড়িতেই যাবেন।কিন্তু,,,কিন্তু কি?? ব্যাপারটা আমি আর আপনি ছাড়া তো কেউ জানে না। হুমমম।সিমার বাড়িতে প্রবেশ,,, মাওমাকে রে আমিও সিমাহঠাত না বলে আসছি যে,,, ছুটি পেয়েছিস নাকি।কি বলবে সিমা ভেবে পাচ্ছে না।তখনি আবিদ বলল,হ্যাঁ, আন্টি।  অনেক লম্বা ছুটি।সিমার মায়ের এতক্ষণে অাবিদের দিকে খেয়াল হল।তোমাকে তো ঠিক ছিনলাম না।কে তুমি।পাশ থেকে মহিলা একজন বলে উঠল কিরে বিয়ে করে স্বামীকে নিয়ে আসলি না তো।ভাবি কি যে বল না তুমি।উনি আমার খুব পরিচিত। আমি বাসায় ছুটিতে আসলাম। তাই উনাকেও নিয়ে আসলাম। উনি আমাদের বাড়িতে বেড়াতে এসেছে। আচ্ছা ঠিক আছে,  এখন ফ্রেস হয়ে খেতে বস।
ফ্রেস হয়ে খাবার পর। আবিদ বাহিরে হাওয়া খাচ্ছে। তখন সিমা আবিদের জন্য চা নিয়ে গেল। আচ্ছা, আপনি ভাবির কথায় রাগ করেন নি তো?না।ঠিক মত তো খেলেনও না। রান্না ভাল হয়নি নাকি।রান্না তেমন খারাপ হয়নি।  তবে খেতে মন চায় নি। আচ্ছা, আমাকে বলছেন। কিন্তু আপনিও তো তেমন খেলেন না।আমার আর খাওয়া ( সিমা)। 
আচ্ছা, আমার একটা কথা রাখবেন?আগে তো বলুন কি কথা।না, আগে বলেন রাখবেন।ঠিক আছে, রাখব। এবার বলুন। আপনি এমন কিছু করবেন না, যাতে কেউ কিছু বুঝতে পারে। কেউ সন্দেহ করতে পারে। কেউ কোন প্রশ্ন তোলে। প্লিজ।ওকে, রাখার চেষ্টা করব।চেষ্টা নয় রাখতে হবে।ওকে।রাতে আবিদের জায়গা হল সিমার পাশের রুমে।সিমা একবার ভাবছে আবিদকে এক কাপ কফি করে দেয়া যাক। আবার ভাবছে রাত করে আবিদের রুমে যাওয়া ঠিক হবে না। শত হলেও আমি এক যুবতী মেয়ে। আর সেও যুবক ছেলে। সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে আবিদ সিমাকে কল করল। হ্যালো, একটু সুপারি হবে। হুমম, হবে।  আমি পাঠিয়ে দিচ্ছি।নিজে আসতে ভয় করছে বুঝি।ইয়ে মানেমানে মানে করতে হবে না। পাঠিয়ে দিলেই হবে।সিমা সুপারি পাঠিয়ে বলল, ধ্যাত। আবিদ কি না কি ভাববে।আবিদ সুপারি পেয়ে মনে মনে ভাবল কেন যে বলতে গেলাম। হয়তো সিমা কিছু মনে করেছে। এভাবে ভাবতে ভাবতেই রাত কেটে গেল।সকালে ঘুম থেকে উঠতে আবিদের একটু দেরি হল। ঘুম থেকে উঠে আবিদ দেখছে সিমা একটা মেয়ের সাথে কথা বলছে। সিমা আবিদকে দেখেও আসতে পারছে না। যদি মেয়েটা কিছু মনে করে তাই।আবিদ ভাবছে সিমা মেয়েটার সাথে কি কথা বলছে। ইশ আমাকে দেখেও এখনো আসছে না যে। কয়েক মিনিট পরে সিমা এসে আবিদকে বলল। তাহলে ঘুম ভেঙ্গেছে।জি,  আপনার কথা বলা শেষ হবার আগে আমার ঘুম ভেঙ্গেছে। সরি।হুমমম, ঠিক আছে।এখন কি চলবে?কি চলবে মানে?আরে নাস্তার কথা বলছি।ওহ! আপনার কথার মত বেশি কিছু লাগবে না।ওকে তাহলে সংক্ষেপে কিছু দেব?সংক্ষেপে নাস্তা!হুমম, চা বা কফি সংক্ষেপে নাস্তা নয় কি।অভিজ্ঞতা নেয়। এর আগে তো কখনো কেউ সংক্ষেপে নাস্তার কথা বলে নি তো। তাই বলতে পারছি না। এবার তো শুনলেন। প্রথম অভিজ্ঞতা হয়েছে তো। এখন বলুন সংক্ষেপে কোনটা খাবেন চা নাকি কফি।ওকে তাহলে কফি আনা যাক। তবে দু  কাপ।


* ৮ম পর্ব পেতে চোখ রাখুন *গল্পটি কেমন হল জানাতে ভুলবেন না। এবং পরবর্তী পর্ব চান কিনা সেটাও জানাবেন।   ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম ও ৬ষ্ঠ পর্ব না পরে থাকলে পড়ে আসুন।     বিঃদঃ অনুমতি ছাড়া কপি করা যাবে না।


#গল্পঃধর্ষিতা_বউ             #লেখকঃসোহেল_মাহমুদ                 #পর্বঃ৮


একি খালি পেটে দু কাপ কফি খাবেন? ( সিমা)ও হ্যালো, আমি একা দু কাপ খাব না। আপনার জন্য এক কাপ আর আমার জন্য এক কাপ। না হলে তো আবার চুমুক গণনা করবেন।চুমুক গণনা!  ওয়েট৫ মিনিট পর,,,কফি ইজ রেডি। টেইক ইউর কফি। ( সিমা) আজ্ঞে ( আবিদ)
আপনি তো খুব ভাল কফি বানাতে পারেন।হ্যাঁ হ্যাঁ, আমার কফি অনেক ভাল হয়।হুম, অনেক ভাল। ঠান্ডা হয়ে গেলে শরবত বলে চালিয়ে দেয়া যাবে।তাহলে তো ভালোই হবে আলাদা করে আর শরবত দিতে হবে না।ওরে গো!আচ্ছা, ভালো কথা। তাহলে এতক্ষণ খারাপ কথা বলছিলেন নাকি।না, তা বলি নি।বলছি, আজ একটা বিয়ের দাওয়াত আছে। আপনিও চলুন আমাদের সাথে।আমি!হুম। আপনি।আমি আপনাদের সাথে বিয়ে বাড়িতে গিয়ে কাভাব মে হাড্ডি হব নাকি।হাড্ডি না হয়ে হাড্ডি খেলেই চলবে।বিয়ে বাড়িতে গেলে তো তখন আপনার দেখা মিলবে না। তখন হাড্ডা পাব না। নিজেই হাড্ডি হতে হবে।আচ্ছা, তাহলে না হয় একটু চোখ রাখব। আর হাড্ডি খাওয়ারও ব্যাবস্থা করে দেব। তাহলে যাওয়া যাবে। বিয়ে বাড়িতে,,,,সিমা আজ শাড়ি পড়েছ। শাড়িতে সিমাকে অনেক সুন্দর লাগছে। হয়তো প্রতিটি নারীকেই শাড়িতে সুন্দর লাগে।আর আবিদ পড়েছে সাদা পাঞ্জাবি। পাঞ্জাবিতে আবিদকেও খারাপ লাগছে না।
বিয়ে বাড়িতে গিয়ে সিমা মহিলাদের সাথে মিশে গেল। আবিদ তো কাউকে চিনে। তবুও পুরুষের মাঝেই আছে।সিমা যদিও মহিলাদের সাথে কিন্তু তার খেয়াল আবিদের দিকে। আবিদ একা একা বোর হচ্ছে আর ভাবছে মেয়েটা যে কেন আমাকে এখানে কাভাব মে হাড্ডি করছে বুঝতেছি না।তখনি আবিদের মোবাইলে একটা ম্যাসেজ আসে।কি হাড্ডি হচ্ছেন নাকি হাড্ডি গুনছেন?দুটোই। দুটোই কিভাবে?একে তো একা একা বোর হয়ে হাড্ডি হচ্ছে। দ্বিতীয়ত খাবারের হাড্ডা গুনছি।ওহ!!গুনতে খুব পছন্দ করেন। তাই না?জি না,, আপনি করাচ্ছেন।(এর মধ্যে আবিদের খাবার এসে গেছে।)
এই যে আমার খাবার এসে গেছে।তাহলে খান।আপনার খাবারের খবর কি? আমারটাও এসে গেছে।খাবারের মাঝে আবিদ সিমাকে ম্যাসেজ করল,,আস্তে আস্তে খান। না হলে কখন যে গলায় কি আঁটিকিয়ে বসে থাকেন বলা তো যায় না। তখন বিয়ে বাড়িতে সবাইকে বিয়ে নিয়ে নয়, আপনাকে নিয়ে দৌড়াতে হবে।ও আচ্ছা। শুনুন, আমি খেয়াল করেই খাচ্ছি। আপনি নিজের চরকায় তেল দেন।যাহ! অন্যকে উপদেশ দিলাম। আর সেই উপদেশ আমাকেই ধরিয়ে দিল।ম্যাসেজ করতে করতেই তাদের খানা খতম।খাবার পরে সিমা আবিদকে দেখা দিল।কি মিঃ কতটুকু খেলেন?হিসেব করি নি তো।ওহ!আচ্ছা, একটা ব্যাপার খেয়াল করেছেন? ( আবিদ) কি( সিমা)।বিয়ে বাড়িতে আসলে অনেক শাড়ি দেখা যায়। তাই নাকি!! উপরেরটা বললেন তবে ভিতরেরটা রয়ে গেল।কি! উপর ভিতর মানে?মানেটা খুব সহজ। শাড়ি তো দেখেন না। দেখেন মেয়ে আর মহিলাদের। উপরের শাড়ির কথা বললেন। আর শাড়ির ভিতরের মেয়েদের কথা বললেন না। এবার উপর ভিতর বুঝলেন?হুম, বুঝছি। হু!এই সিমা,  সিমা। ( কয়েকটা মেয়ে সিমাকে ডাক দিল)। কিরে ছেলেটা কে রে? কিছু কিছু নাকি?সেটা তোদের না জানলেও হবে। কেন ডেকেছিস সেটা বল।বললে তো আর আমাদের কথা এখন তোর কানে ঢুকবে না। কিছুক্ষণ পর বিয়ে বাড়ি থেকে রওয়ানা,,,,আবিদ চাইছিল সিমার পাশে বসতে। সিমাও ইচ্ছে ছিল আবিদের পাশে বসার। কিন্তু ছেলেরা আলাদা আর মেয়েরা আলাদা বসার কারনে তাদের আর পাশাপাশি বসা হল না।তবে কায়দা একে অপরের বিপরীতে বসল।পথে গাড়ির ঝাকড়ানিতে এককার সিমা আবিদের কাছাকাছি চলে গেল। তখন আবিদ ইশারাতে কিছু বুঝাল। কিন্তু সিমা তেমন কিছু বুঝে নি। হয়তো আবিদ বুঝাতে চেয়েছে, গাড়ির ঝাকড়ানিতে কেউ পড়ে না। আপনিই পড়লেন, তাও আমার কাছাকাছি এসে। 
* ৯ম পর্ব পেতে চোখ রাখুন *গল্পটি কেমন হল জানাতে ভুলবেন না। এবং পরবর্তী পর্ব চান কিনা সেটাও জানাবেন।   ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম পর্ব না পরে থাকলে পড়ে আসুন।     বিঃদঃ অনুমতি ছাড়া কপি করা যাবে না।


#সিমা_দেখল_সে_আর_আবিদ_দুজনেই_বস্ত্রহীন_তখন_সিমার_টনক_নড়ল।           #গল্পঃধর্ষিতা_বউ             #লেখকঃসোহেল_মাহমুদ                 #পর্বঃ৯


বিকেল বেলা,,, সিমা শাক তুলছে।আবিদও সিমার সাথে গিয়ে শাক তুলতেছে।আবিদের শাক তোলা দেখে সিমা চোখ দিয়ে আবিদকে কিছু বুঝাচ্ছে। তারপর বলল আপনি যান তো। না যাব না। আপনি শাকের সাথে ঘাসও তুলবেন। তাই সেগুলো দেখার জন্য তো আমাকে লাগবে। আপনি বুঝি শাক পাহারাদার?  ( সিমা)জি না, অন্য কিছু পাহারাদার।অন্য কিছু মানে?অন্যকিছু মানে কচু।কি! আপনি কচুর পাহারাদার।আরে না, কিছু না।  রাতের খাবারের সময়,,,,,সিমা আর আবিদ খাবার টেবিলে সামনাসামনি বসেছে। ভুল বসত সিমার পা আবিদের পায়ের সাথে লাগল। পা লাগার সাথে সাথেই আবিদ কাশতে লাগল। সিমা তাড়াতাড়ি আবিদকে পানি দিল।আবিদ পানি খেয়ে দুষ্টমি করে সিমার পায়ের সাথে তার পা লাগিয়ে দিল।সিমাও এবার কাশতে লাগল। সিমার মা সিমাকে পানি দিয়ে বলল কি হইছে। পানি খা।কাশি থামলে  আবিদ আবারও তার পা লাগাতে লাগল। এবার সিমা কেঁপে উঠল। আবিদ তার পা ক্রমই উপরে উঠাতে থাকে। সিমা তাড়াতাড়ি হাত ধুয়ে উঠল।  খাবার পর যে যার রুমে চলে গেল।আবিদ শুয়ে ভাবছে, সিমা কি এখন আমার রুমে সুপারি দিতে আসবে।তখনি আবিদের রুমে সিমা সুপারি নিয়ে গেল।এই নিন আপনার জন্য সুপারি হাজির।কি খুব তাড়া আছে বুঝি।না, তবে এখানে কি করব।করলে তো অনেক কিছুই করা যায়।মানে?মানে, গল্প করা যায় সুপারিও খাওয়া যায়।সুপারি খাওয়ার জন্য আমার রুম আছে।নিন আপনার সুপারি। সুপারি নিতে দুজন দুজনের চোখের দিকে তাকি আছে। সুপারি নিতে আবিদের হাত সিমার হাতে সাথে লাগল।তারা চোখে চোখ রেখে দুজনেই একটু একটু করে এগুচ্ছে। দুজনেরই নিঃশ্বাস ভারি হয়ে আসছে। দুজনের দুজনের সাথে লেগে গেল। দুজনের দুজনের দিকে মুখ বাড়িয়ে নিচ্ছে। আবিদ সিমার ঠোঁটে ঠোঁট লাগাতেই সিমা চোখ বন্ধ করে ফেলল। এভাবে কয়েক মিনিট থাকার পর সিমা চোখ খুলে আবিদকে ধাক্কা দিয়ে এক দৌড়ে তার রুমে চলে গেল।
তারা দুজনে দুজনের মনে বিভিন্ন কথা নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ল। সকালে,,,,সিমা আবিদের জন্য চা নিয়ে ডাকতে লাগল।আবিদ চোখ মুছতে মুছতে দেখে, সিমা চা নিয়ে দাড়িয়ে অাছে। কি তাহলে কাল রাত অনেক ভাল ঘুম হয়েছে? ( আবিদ) জানি না( সিমা)।তা চায়ে দুধ কেমন দিলেন? দুধ ঠিকমত আছে তো? সিমা একটু হাঁসি দিয়ে বলল, হুম ঠিক আছে।আমি গেলাম, আপনি চা খান। চা শেষে দেখছে,, সিমা রান্না ঘরে কি যেন করছে।আবিদকে দেখে সিমা বলল কিছু লাগবে নাকি?লাগলে তো আর সব দেয়া যায় না।কি!কিছু না।তো আজ বুঝি আপনি রান্না করবেন।জি আজ নিজ হাতে রান্না করে আপনাকে খাওয়াব। কেন কেন?তেমন একটা খান না ত। তাই ভাবলাম নিজে একটু রেঁধে দেখি বেশি খেতে পারেন কিনা। দুপুরের খাবার সময়,,,আসলেই আপনি অনেক ভাল রান্না করতে পারেন।জি, আপনিও ভাল রান্না করলে ভাল খেতে পারেন।কি!সবাই হেসে দিল।  বিকেলে থেকে কি কাজে সিমা ব্যাস্ত তাই আবিদকে আলাদা করে সময় দেওয়া হয় নি।রাতের খাবারের সময় আজকেও সিমা আবিদ একই কান্ড করল। আবিদ রুমে গিয়ে সিমাকে ম্যাসেজ করল। আজ সুপারির সাথে দু কাপ কফি হলে ভাল হবে।কিছুক্ষণ পর সিমা দু কাপ কফি আর সুপারি নিয়ে আসল।কি দু কাপ দিয়ে কি করবেন।এক কাপ আপনি খাবেন আর এক কাপ আমি খাব।না, আমি খাব না।কফি খেতে খেতে গল্প করব। বসুন তো।সিমা আর আবিদ কফি শেষ করে কথা বলছে। কথা বলার এক পর্যায়ে আবিদ সিমার হাতে হাত রাখল। তখন সিমা আবিদের চোখে চোখ রাখল, আবিদও তখন চোখ ফিরাতে পারে নি। আবিদ সিমাকে কাছে টেনে নিল। দুজনেরই নিঃশ্বাস যেন আঁটকে যাবে। দুজনেই চোখ বন্ধ করে দুজনের ঠোঁটে ঠোঁট লাগাল। তারপরে আবিদ সিমাকে বিছানায় নিয়ে গেল। তাকে শুইয়ে তার উপরের কাপর খুলে ফেলে মনোযোগ দিতে লাগল। সিমার কোন বাঁধা নেয়।  তারপর মনোযোগের একপর্যায়ে সিমা নিজেই তার অন্তর্বাস খুলে ফেলল। আর দুজনেই মেতে উঠল পরম,,,,,,,,,,।মাতানো শেষে তারা দুজনেই ঘুমিয়ে পড়ল। আযানে সিমার ঘুম ভাঙ্গল। সিমা দেখল সে আর আবিদ দুজনেই বস্ত্রহীন। তখন সিমার টনক নড়ল।
* ১০ম পর্ব পেতে চোখ রাখুন *গল্পটি কেমন হল জানাতে ভুলবেন না। এবং পরবর্তী পর্ব চান কিনা সেটাও জানাবেন।   ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম পর্ব না পরে থাকলে পড়ে আসুন।     বিঃদঃ অনুমতি ছাড়া কপি করা যাবে না।

#যাহ_নিজের_বউয়ের_হাত_ধরলেও_সমস্যা!#গল্পঃধর্ষিতা_বউ__পর্বঃ১০(শেষ পর্ব)     #লেখকঃসোহেল_মাহমুদ

সিমা কাপড় বুকে নিয়ে কাঁদতে লাগল।শেষমেশ আবিদের কাছেও।সিমার কান্নায় আবিদের ঘুম ভেঙ্গে গেল।একি আপনি কাঁদছেন কেন?শেষমেশ আপনিও পারলেন!আমার মাঝে কোন পশুত্ব ছিল না।কিন্তু উদ্দেশ্য তো একই ছিল। দেখুন, আমি আপনাকে ধর্ষণ করি নি। সঙ্গম করার ইচ্ছেটা যেমন আমার ছিল তেমনি আপনারও ছিল।জানি না। এখন মৃত্যু ছাড়া কিছুই করার নেয়। আপনাকে বিশ্বাস করেছিলাম। আপনার সাথেও অঘটন ঘটে গেল। দেখুন, এর একটা সমাধান হতে পারে।সেই সমাধানটা হলে আর আপনাকে ভয়ে থাকতে হবে না। এবং আত্নহত্যাও করতে হবে না। কি সেটা।আমি আপনাকে বিয়ে করব।কিন্তু আমি ধর্ষিতা। ইচ্ছাকৃত হলেও আপনিও আমার সাথে সঙ্গম করেছেন। সেই লোকটা আপনাকে জোর করে করেছে। সেখানে আপনার তো কোন ইচ্ছে ছিল না।কিন্তু আপনার সাথে যেটা হল। সেটা হয়তো ভালবাসা ছিল।কি দয়া দেখাচ্ছেন?না।একজন ধর্ষিতাকে বিয়ে করবেন?হ্যাঁ।সব ভেবে বলছেন তো?হুমম।ঠিক আছে। তাহলে আমি রাজি। তখনি আবিদের মোবাইলে কল আসে,,হ্যালো,, আবিদ বাসায় আয়।কিছু হয়েছে?আগে আয় তো?আবিদ সিমাকে বলল এখনি বাসায় যেতে হবে।আচ্ছা, যান। আর চিন্তা করবেন না। অাবিদ বাসায় গিয়ে দেখে আবিদের মা পড়ে গিয়ে পায়ে ব্যাথা পেয়েছে। আজ আমার ঘরে যদি একটা বউ থাকত তাহলে কি এমন হত।ওকে তাহলে বউ এনে দিচ্ছি। আবিদ সিমার কথা বলল। দু পরিবারের অনুমতি ক্রমে বিয়ে ঠিক হল।আবিদ পড়েছে লাল পাঞ্জাবি সাথে বর যা পড়ে আর কি। আর সিমা পড়েছে আবিদের পছন্দ করা লাল বেনারসি শাড়ি। বিয়ে শেষে গাড়িতে আবিদ সিমার হাত ধরল।গাড়িতে আমি একা না। ( সিমা) যাহ নিজের বউয়ের হাত ধরলেও সমস্যা!সিমা মুচকি হাসল। গাড়ি থেকে নামার পর সিমা আর আবিদ,  আবিদের রুমে গেল। কোন কথা না বলতেই মহিলারা সিমাকে নিয়ে গেল। আবিদ অনেক্ষণ অপেক্ষা করল। কিন্তু সিমার আসার খবর নেয়। তাই আবিদ দেখতে গেল কি করছে সিমা। আবিদ যেতেই সবাই বলে উঠল যান যান বউয়ের দেখা পরে মিলবে। আবিদ কিছু না বলে রুমে চলে আসল। রুমে এসে নিজে নিজে বলছে, নিজের বউ নিজে কথা বলতে পারি না। অন্যরা নিয়ে আলাপ করছে। এদিকে সিমারও আবিদের কাছে যেতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু তাকে ছাড়ছে না। সন্ধার পর থেকে আবিদের রুমে বাসর ঘর সাজানো হচ্ছে। আর বাহিরে নাচ গান হচ্ছে। এদিকে সবাই সিমাকে কাজে লাগিয়ে দিল। আর আবিদ!তার জায়গা নির্ধারিত না। না পারছে রুমে ঠিকমত রুমে যেতে। না পারছে ঠিক মত বাহিরে থাকতে। আবার সিমার সাথে কথাও বলতে পারছে না।সব কিছু শেষে বাসর ঘর,,,,আবিদ বাসর ঘরে গিয়ে দেখে সিমা ঘোমটা দিয়ে বসে আছে। একি আমি তো অপরিচিত কেউ না যে আপনি ঘোমটা দিয়ে থাকবেন।নিয়ম বলে কথা। ( সিমা) তাই আবিদও নিয়ম মত সিমার ঘোমটা খুলে মুখ তুলে ধরল। আবিদ দেখে সিমার চোখে পানি। একি এদিনে চোখে পানি কেন? চোখ মুছেন। আজকে তো আনন্দের দিন। বাসর রাত নিয়ে সবারি স্বপ্ন থাকে। আজ আমার সেই স্বপ্নের রাত। কিন্তুকোন কিন্তু নয় আজ আমরা আমাদের স্বপ্নের রাত আনন্দে কাটাব। তবে বিড়াল আগেই আহত হয়েছে।                -----সমাপ্ত-----    *পরবর্তী গল্প পেতে চোখ রাখুন*গল্পটি কেমন হয়েছে জানাতে ভুলবেন না।আপনারা কেমন গল্প চান সেটা জানাতে পারেন। কারো বিশেষ গল্প থাকলে সেটাও জানাতে পারেন।            *আমি সোহেল মাহমুদ*



আগের পর্ব পেতে চোখ রাখুন,  পড়তে নিচের link এ ক্লিক করুন
https://www.bdlovestory.com/2020/04/blog-post_51.html


ধর্ষিতা বউ পর্বঃ ৪, ৫ ৬


Post a Comment

Previous Post Next Post