প্লিজ আমাকে ছেড়ে দাও আমাকে নষ্ট কোরো না। আমার সতীত্ব কেড়ে নিও না। কেউ আছো কি? বাঁচাও বাঁচাও।
                  গল্পঃ ধর্ষিতা বউ 
                   পর্বঃ ১
                 লেখকঃ সোহেল মাহমুদ


সিমা তার মামার বাড়ি ( কুমিল্লা) থেকে বাড়িতে ( ঢাকা) যাচ্ছে। পথেই গাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। তখন প্রায় শেষ বিকেল। ড্রাইবার বলে দিয়েছে গাড়ি ঠিক হতে একটু সময় লাগবে। আপনারা আশেপাশেই ঘুরে আসেন। বেশি দূরে যাবেন না, যেহেতু শেষ বিকেল। সিমা গাড়ি থেকে নেমে হাটতেছে। হঠাৎ পিছন থেকে একটা ছেলে বলে উঠল এই আপা। সিমা পিছন ফিরে তাকাল। আমি রিপন। অনেক গরম লাগছে। চলুন একটু ভিতর থেকে হেটে আসি।( রাস্তার পাশে বড় বাগান দেখা যাচ্ছে) সিমা বলল না থাক। রিপন বলল আরে চলুন তো,, ঠান্ডা খাওয়া হবে আবার গল্পও করা হবে। সিমা একটু মিশুক টাইপের তাই সে আর না করল না। তারা দুজনেই বাগানের ভিতর গিয়ে পাতা কুড়িয়ে বসল। ঐখানে আর কেউ ছিল না। গল্প করতে করতে যে কখন সন্ধা পেড়িয়ে গেল সিমা টেরই পেল না। সিমা টের যখন দেখল রিপন একটা হাত সিমার কোমরে দিল। সিমা ভাবল হয়তো ভুলে হাত লেগেছে। কিন্তু হাতটা কোমর থেকে পেটে ঘুরছে। এই কি করছেন আপনি ( সিমা) আপনি অনেক সুন্দর তো তাই ধরে দেখছিলাম। চলুন সন্ধা হয়ে গেছে,, এতক্ষণে নিশ্চয় বাস ঠিক হয়ে গেছে। বাস ঠিক হোক আর যাইহোক আমি আর আপনি আজ সারারাত এখানে আনন্দ করবে। মানে!!!! কি ফালতু বকছেন। মানে দেখাচ্ছি বলেই রিপন সিমাকে জড়িয়ে ধরে হাতাহাতি করে সিমার জামা খুলে ফেলল। জামা খুলতেই সিমা রিপনকে থাপ্পড় মারল। তখন রিপন জামা দিয়ে সিমার হাত দুটিকে বেধে ফেলল। হাত বেধে চড় মারতে মারতে সিমাকে শুইয়ে দিল। সিমার স্পর্শকাতর অঙ্গ গুলোতে রিপন হাত চালাতে লাগল। সিমা ধস্তাধস্তি করতেই থাকে। পা দিয়ে লাথি দিয়ে উঠে যেতে চাইলে রিপন পাজামা খুলে সিমার পা বেধে ফেলল। পা বেধে সিমাকে মেরে সিমার গায়ের সব কাপড় খুলে ফেলে সিমার উপর পশুর মত ঝাপিয়ে পড়ল। সিমা কোন উপায় না দেখে তাে কাছে মিনতি করতে লাগল প্লিজ আমাকে ছেড়ে দাও আমাকে নষ্ট কোরো না। আমার সতীত্ব কেড়ে নিও না। আমি তোমার বোনের মত। কিন্তু পশু তো আর মানুষের কথা শুনে না। সে তার ক্ষুধা নিভানোর কাজেই ব্যাস্ত। সিমা চিৎকার করতে থাকে কেউ কি নেয়,,,, আমার ইজ্জত বাঁচাবার মত। কেউ আছো কি? বাঁচাও বাঁচাও। কিন্তু না কেউ থাকল না, তাকে বাঁচাতে। পশুটি সিমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কামড় দিতে থাকে। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঁচড় দিতে থাকে। হঠাৎ সে অনেক ব্যাথা পেল। ব্যাথায় ককিয়ে উঠে ওমা গো!! বলে চিৎকার দিল। পশুটি সিমার মুখ চেপে ধরে তার কাজ চালাতে লাগল। সিমা ব্যাথায় চোখ বন্ধ করে চোখের পানি ছেড়ে দিল। যখন চোখ খুলল সে তার কোমরে কাছে দেখতে পেল রক্ত। তার বুঝতে বাকী রইল না ব্যাথা আর রক্তের কারন বুঝতে। সে বুঝতে পারল তার সবচেয়ে বড় সম্পদ তার সতীত্ব পশুটা কেড়ে নিয়েছে। তার ভার্জিনিটি সে হারিয়ে ফেলেছে। পশুটা তখনও তার ক্ষুধা নিভাচ্ছে। সিমা পশুটাকে ধাক্কা দিয়ে উঠতে চেষ্টা করেও পারছে না। কিছুক্ষণ পর পশুটার ক্ষুধা নিভে গেলে। সে সিমার শরীরের উপর থেকে উঠে গেল। সিমার হাত পা খুলে দিল। যেহেতু ক্ষুধা মিটে গেছে। তাই পশুটা সিমাকে ঐ অবস্থায় রেখে চলে গেছে। সিমার সমস্ত শরীর ব্যাথা করছে, ঝলছে। উড়ে দাড়ানোর ক্ষমতাও যেন তার নেয়। সিমা কাঁদতে কাঁদতে ভাবে যে সতীত্ব নিত তার স্বামী সেটা নিল এই পশুটা! যেই রাতটা কাটত বাসর ঘরে তার স্বামীর সাথে। সেই রাত কাটল এই পশুর সাথে জঙ্গলে!! যেই রাতটা সে আনন্দে উপভোগ করার কথা সেই সময়টা সেই ব্যাথায়,যন্ত্রণায় ভোগ করল। কি দরকার ছিল সবার সাথে মিশার। কি দরকার ছিল অপরিচিত কারো সাথে কথা বলার, তার সাথে বাগানে আসার। শুধু হিজাব পড়েছি,,বোরকাও তো পড়া যেত। ভাবতে লাগল। কি জবাব দেব বাসর রাতে স্বামীকে,,, কি বলব মানুষকে,, বিচার চাইলেও তো সঠিক বিচার পাব না। সবাই আমাকে ধর্ষিতা বলে ডাকবে। হঠাত সে পাশে একটা বড় দড়ি দেখতে পেল। আর সিমাও পেল গেল তার সকল প্রশ্নের সমাধান,, সব সমস্যার সমাধান। *২য় পর্ব পেতে চোখ রাখুন আমার আইডিতে* গল্পটি কেমন হল জানাতে ভুলবেন না। এবং পরবর্তী পর্ব চান কিনা সেটাও জানাবেন।


 আমার এ জীবন আর রাখব না। ছেড়ে দিন আমাকে। আমি আত্নহত্যা করলেই সব সমস্যার সমাধান হবে।

 গল্পঃ ধর্ষিতা বউ
 পর্বঃ ২
 লেখকঃ সোহেল মাহমুদ

 সিমা তার সব শক্তি দিয়ে উঠে দাড়াল। দেখছে পশুটার নোংরা পদার্থ তার শরীর ভেয়ে পড়ছে। সে তার ছেড়া অন্তর্বাস গুলো দিয়ে নোংরা মুছে নিল। আর জামা পাজামা পড়ে নিল। পোশাক পড়ে অনেক কষ্টে হেটে দড়িটা হাতে নিল। দড়িটাতে গিট্টা দিল এক মাথায়। কিন্তু অন্য মাথা কিভাবে গাছের সাথে বাঁধবে। হাত যে উঠাতে পারছে না,,, ব্যাথা আর যন্ত্রণায়। তবুও যে তাকে মরতে হবে তাই দড়ির অন্য মাথাও গাছের ডালের সাথে বাঁধল। কিন্তু এখন গলায় ফাঁস দিবে কিভাবে তাকে তো এখন মাটি থেকে কিছুটা উপরে থাকতে হবে। সে গাছে উঠতে চাইল। কিন্তু সে পা নাড়াতে পারছে না। তার পা ফাক করতে পারছে না। সিমার রানে আর লজ্জাস্থানে কামড়ের দাগ গুলো এখনো স্পষ্ট। এজন্য তো সে ঠিক মত দাড়াতেই পারছে না। গাছের সাথে শরীর লাগিয়ে গাছে উঠা তো অনেক পরের কথা। অগত্যা তাকে উচু কিছু খুঁজতে হল। যাতে দাঁড়িয়ে সে ফাঁস দিতে পারে। একটা পুরনো টুল পেয়েও গেল। তারপরে সেটাতে দাঁড়িয়ে গলায় রশি বেঁধে যখনি টুলটাকে সরাতে যাবে। তখন পেছন থেকে আলো জ্বলে উঠল আর কেউ একজন বলছে,, কে ওখানে কে ওখানে। সিমা স্তব্ধ হয়ে গেল। এ তো দেখছি আরেক পুরুষ নামের জানোয়ার। হে অাল্লাহ তুমি আমাকে রক্ষা কর। হয়তো এই ছেলেটাও আগের পশুটার মত আমাকে ভোগ করবে। এখন তো আমার আধমরা দেহটা আছে। হয়তো এই ছেলেটা ভোগ করার পর আমি আর জীবীত থাকব না। আমার আর কোন অস্তিত্বই থাকবে না। কথা গুলো ভেবে যখন সিমা টুল থেকে পা সরাতে যাবে তখনি ছেলেটা সিমাকে ধরে ফেলল। কি আজব! কি করছেন কি আপনি! একটা মেয়ে হয়ে রাতের বেলায় নির্জন জায়গায় ফাঁসি দিচ্ছেন কেন!!! আমার এ জীবন আর রাখব না। ছেড়ে দিন আমাকে। আমি আত্নহত্যা করলেই সব সমস্যার সমাধান হবে। দেখুন আত্নহত্যা কোন কিছুর সমাধান নয়। বরং বেঁচে থাকার মাঝেই সমাধান খুঁজে নিতে হবে। তাছাড়া আত্নহত্যা মহাপাপ। কিন্তু আমি বেঁচে থাকতে চাইনা। ভালো তো ভালো!!! এখন আপনি আত্নহত্যা করবেন,,,কাল সকালে লোকে আপনার মরদেহ দেখে কি প্রশ্ন করবে সেটা ভেবে দেখেছেন? আপনি মারা যাবার পর আপনার আপন মানুষের কি হবে ভেবেছেন? মরার পরে পরকালে কি হবে ভেবেছেন? হয়তো উত্তর গুলো হবে জানি না। হুমমম,,, জানি না। তো কি করব আমি? আচ্ছা আপনি কে এবং কি হয়েছে যার জন্য আপনি নিজেকে শেষ করতে চাচ্ছেন জানতে পারি? প্লিজ। আমার নাম সিমা। আমি ডিগ্রি ১ ম বর্ষে পড়ি। মামার বাড়ি থেকে বাসায় যাওয়ার পথে এখানে গাড়ি নষ্ট হয়ে গেলে,, ,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, এখন আপনিই বলুন মৃত্যু ছাড়া আর কিবা করার আছে আমার। আমি আবিদ। অনার্স ১ম বর্ষে পড়ি। আপনি যদি এখন নিজেকে খুন করেন তাহলে কি ঐ পশুটা শাস্তি পেয়ে যাবে? আপনার আপন মানুষের কি হবে? তাছাড়া সব ছেলেরা পশু না। কেউ কেউ সত্যিকারের মানুষও আছে। আপনাকে বেঁচে থাকতে হবে। আর হ্যাঁ, আমাকে যদি আপনি বিশ্বাস করেন তাহলে আমার সাথে আসতে পারেন। আর যদি আমাকেও পশু মনে করেন তাহলে আমার সাথে আসতে হবে না। * ৩য় পর্ব পেতে চোখ রাখুন * গল্পটি কেমন হল জানাতে ভুলবেন না। এবং পরবর্তী পর্ব চান সেটাও জানাবেন। ১ম পর্ব না পরে থাকলে পড়ে নিন। বিঃদঃ অনুমতি ছাড়া কপি করা যাবে না। এ কি আপনি আমাকে কোথায় নিয়ে আসলেন? আমি কি আপনার সাথে হোটেলে রাত কাটাব নাকি? আপনি তো দেখছি পশুর চাইতেও পশু। গল্পঃ ধর্ষতা বউ পর্বঃ ৩ লেখকঃ সোহেল মাহমুদ সিমা উঠে আবিদের পিছন পিছন রাস্তার দিকে যেতে লাগল। কয়েক কদম হেঁটেই বসে পড়ল। সে ব্যাথা যন্ত্রণায় হাঁটতে পারছে না। আবিদ সিমার হাত ধরে উঠতে সাহায্য করছে। সিমার হাত ধরতেই সিমা কেঁপে উঠল। আবিদ সেটা টের পেয়ে বলল, আমি আবিদ পশু না। রাস্তা পর্যন্ত একটু কষ্ট করতে হবে। আবিদ সিমার হাত ধরে ধরে রাস্তায় আসল। আবিদ সিমাকে নিয়ে একটা শপিংমলে অাসল। আপনি শপিং করার জন্য আর সময় পান নি, সিমা বলল। শপিং আমার জন্য না। আপনার কাপড় গুলো একটু ছিড়ে গেছে তাই নতুন কিছু কাপড় দরকার। সিমা বলল লাগবে না। আহা নেন তো। সিমা জামা পাজামা নিয়ে বলল,, এবার আপনি একটু বাহিরে যান ৪ মিনিট পরে আসেন। আবিদ গেলে সিমা কিছু,,,,,,,,,,নিল। সীমা টাকা দিতে যাবে তখনই মনে পড়ল সিমের কাছে তো অত টাকা নেই। তারপর সিমা আবিদকে ডাক দিল বলল আমার কাছে তো অত টাকা নেই তাহলে রেখে দেই। রাখতে হবে না। টাকা আমি দিচ্ছি। শপিং শেষে একটা সিএনজি নিয়ে হাসপাতালে গেল। এ কি আপনি অসুস্থ নাকি হাসপাতাল আসলেন যে না তেমন কিছু না আপনার জন্য কিছু ঔষধ নিব। না লাগবে না। নেকামি করবেন না তো। হাহাহা,, ডাক্তার বলবে এই ক্ষত গুলো কিসের? ধর্ষণ হলাম কিভাবে? পরীক্ষা করতে হবে। আমার এমন চিকিৎসা লাগবে না। আপনি আমার সাথে আসুন তো তারপর না হয় দেখা যাবে। আবিদ সিমাকে নিয়ে একজন মহিলা ডাক্তারের কাছে গেল। আবিদ ডাক্তারকে বলল আঘাত পেয়েছে আর একটা পশু বিভিন্ন বিভিন্ন জায়গায় আঁছড় দিয়েছে তাই ক্ষত হয়ে গেছে। ডাক্তার বলল কুকুরে? না না, আবিদ বলল। ক্ষত জায়গা গুলো দেখতে হবে তো। আমিদ বলল দেখতে হবে না এমনিতেই ওষুধ দিয়ে দিন। ঔষধ নেয়ার পর আবিদ বলল অনেক ক্ষুদা লেগেছে চলুন এবার খাওয়া যায় না আমি খাব না ( সিমা)। কিন্তু ওষুধ খাওয়ার জন্য হলেও তো কিছু খেতে হবে। সীমা দেখল কিছু না খাইয়ে আবিদ ছাড়বে না তাই আর না করল না। হাসপাতালে পাশেই একটা রেস্টুরেন্ট দেখে সীমা বললো তা ঠিক আছে চলুন দেখি কি খাওয়া যায়। আমি না খেলেও আপনি তো পেট ভরে খাবেন। রেস্টুরেন্টে গিয়ে আবিদ সীমাকে বলল অর্ডার করুন কি খাওয়া যায়। আপনিই অর্ডার করুন। আচ্ছা কি খাবেন বলুন। আমি তেমন কিছু খাব না। আপনিই যা খান তাই নিন ( সিমা)। তারপর দুজনেই হালকা নাস্তা করে সিমা ঔষধ খেয়ে নিল। তারপর রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে আবিদ সিমাকে নিয়ে সিএনজি করে একটা বিল্ডিংয়ের সামনে এসে নামল, সীমাকে বলল নাম। তারা দুজনে বিল্ডিংয়ের ভিতরে গেল কিন্তু ভিতরে গিয়ে সীমার মাথায় যেন আকাশ ভেঙ্গে পড়ল। সিমা দেখল এটা তো একটা হোটেল। সিমা ভাবল এ আবার কোন জানোয়ারের পাল্লায় পড়লাম। সিমা আবিদকে বলল এ কি আপনি আমাকে কোথায় নিয়ে আসলেন? আমি কি আপনার সাথে হোটেলে রাত কাটাব নাকি? আপনি তো দেখছি পশুর চাইতেও পশু। দেখুন,, আপনার ধারনা ভুল। হোটেলে শুধু আপনি থাকবেন। আমি আমার বাসায় চলে যাব। ওহ! হুমম একি আপনি আমাকে একা হোটেলে রেখে যাবেন? আপনি আমাকে আমার বাসায় তো দিয়ে আসতে পারেন। অথবা আপনার বাসায় তো নিয়ে যেতে পারেন। আপনার শরীরের অবস্থা জানেন তো? আপনি হাঁটতে পারছেন না। নাড়াচাড়া করতে পারছেন না। এ অবস্থায় যদি আপনাকে আমি আমার বাসায় নিয়ে যাই তাহলে সবাইকে কি বলল। আর যদি আপনাকে আপনার বাসায় নিয়ে যাই তাহলে আপনি বাসায় কি জবাব দেবেন, ভেবে দেখেছেন? দেখুন,, আপনি তো চান ব্যাপারটা কেউ না জানুক। তাই আমি সব কিছু বিবেচনা করে আপনাকে এখানে নিয়ে এসেছি। এখন আপনি যদি মনে করেন। আমি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাহলে আপনিই বলেন কি করা যায়। সিমা কথা গুলো ভেবে দেখল আবিদ তো ঠিকই বলছে। তারপর সিমা আবিদকে বলল ঠিক আছে চলুন আমার জন্য রুম বুক করুন। কিন্তু আমার কাছে টাকা তেমন বেশি টাকা নাই ( সিমা)। ঠিক আছে এ নিয়ে আপনাকে ভাবতে হবে না। আবিদ সিমার জন্য একটা সিঙ্গেল রুম বুক করল।। তারপর সিমাকে নিয়ে সে রুমের দিকে গেল। রুমের দরজায় আসতেই সীমা বললো ঠিক আছে আপনাকে আর আসতে হবে না। আমি একাই রুমে যেতে পারবো। সমস্যা নেই আমি এসে আপনাকে সব কিছু দেখিয়ে দেয়। লাগবে না আমি একাই সবকিছু গুছিয়ে নিতে পারব। সিমা কি করবে ভেবে পাচ্ছে না। আবিদকে ভিতরে আসতে দেবে নাকি দেবে না। তার ভিতরে কি আবার পশুত্বের ভাবটা চলে আসবে নাকি। একবার মনে করছে দেওয়া যায় আবার মনে করছে দেয়া যাবে না। হয়তো সেই পশু হবে না আবার ভাবছে বলা তো যায় না কখন কে পশু হয়ে যায়। সিমার এ ভাবনা দেখে আবিদ নিজেই রুমে চলে গেল সীমাকে বাইরে রেখে। আবিদ ঘরের সব কিছু গুছিয়ে সীমাকে এসে বললো সবকিছু গুছিয়ে দিয়েছি এবার আপনি যেতে পারেন। তখনই আবিদের ফোনে তার বাসা থেকে কল আসে কিরে তুই কোথায় এখন। এইতো একটু কাজে আছি তো চলে এখনি চলে আসব। ঠিক আছে তাড়াতাড়ি আসিস। তখন আবিদ বলল আপনার বাসায় ফোন করেছেন? সীমা বলল না। এখনো করা হয়নি। ঠিক আছে এখনই করুন। সে বলল ফোন দিয়ে কি বলবো। আচ্ছা ঠিক আছে আমি শিখিয়ে দিচ্ছি। সীমাকে বলল বলুন যে আপনি বাসায় আসার পথে এক বান্ধবীর সাথে দেখা হয়ে গেল এবং সে আপনাকে আজ কিছুতেই ছাড়ছিল না তার বাসায় নিয়ে গেল এবং আপনি আপনার বান্ধবীর বাসায় আছেন। আর তাদেরকে বলুন কোন চিন্তা করতে না। আবিদের কথা মতো সীমা তার বাসায় ফোন করল ফোন করতেই উপর থেকে কি রে মা এত দেরী হল যে কোন সমস্যা ফোনও করলি না। মা তেমন কিছু না গাড়ি থেকে নামতেই এক বান্ধবীর সাথে দেখা হয়ে গেল সে কিছুতেই ছাড়ল। সে জোর করে তার বাসায় নিয়ে গেল তাই এখন তার বাসায় আছি আমি। আমি খেয়েছি তুমিও খেয়ে নাও। এ বলে সিমা ফোনটা রেখে মন খারাপ করে চোখের পানি ফেলে দিল। এই কি করছেন আপনি মন খারাপ করার কোন দরকার নেই. আচ্ছা ঠিক আছে সমস্যা নেই। আপনি তো এখন চলে যাবেন তাই। আমি আর কি করবো এখানে দাড়িয়ে। আচ্ছা আপনি আমার নাম্বারটা নিন আর আপনার নাম্বার টা আমাকে দিন. কোন সমস্যা হলে কোন প্রয়োজনে কোন দ্বিধা বোধ না করে আমাকে কল দিবেন বলল। সে বলল আচ্ছা ঠিক আছে আপনার নাম্বার আমার নাম্বারটা পাঠিয়ে দিন এবং কল দিন। আবিদ বললো আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে আপনি এখন রুমের ভিতরে যান। ভিতর থেকে দরজা লাগিয়ে দিন যে কেউ আসুক না কেন আপনি দরজা খুলবেন না. আমার নাম্বার তো আছেই কোন প্রয়োজনে কোন সমস্যা হলে কোন দ্বিধা বোধ না করে আমাকে কল দিবেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে আমাকে কল দিবেন. তাছাড়া সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি এখানে চলে আসব চিন্তা করার কোনো কিছু নেই। তারপর দুজনেই একে অপরকে বায় বলে সীমা রুমে চলে গেল আর আবেগ তার বাসার দিকে রওয়ানা হলো। * ৪র্থ পর্ব পেতে চোখ রাখুন * গল্পটি কেমন হল জানাতে ভুলবেন না। এবং পরবর্তী পর্ব চান সেটাও জানাবেন। ১ম ও ২য় পর্ব না পরে থাকলে পড়ে আসুন। বিঃদঃ অনুমতি ছাড়া কপি করা যাবে না।


পরের পর্ব পেতে চোখ রাখুন,  পড়তে নিচের link এ ক্লিক করুন
https://www.bdlovestory.com/2020/04/blog-post_51.html

Post a Comment

Previous Post Next Post