আমি মানুষ, পশু না। ও হ্যালো,,, আমি চোর না। আগে তো শার্ট ঠিক করুন।

 গল্পঃ ধর্ষিতা বউ

 পর্বঃ ৪

 লেখকঃ সোহেল মাহমুদ 

সকালে খুব ভোরে ভোরে আবিদের মোবাইলে রিং হচ্ছে। আবিদ সাধারণত এত ভোরে ঘুম থেকে উঠে না। তাই নাম্বার না দেখেই ঘুম চোখে কল রিসিভ করে,,, হ্যালো, কি এখনো ষাড়ের মত ঘুমাচ্ছেন? কি!!!! কে আপনি? আর আমাকে ষাড় বলছেন? কয়েক ঘন্টায় চিনতে পারলেন না। আমি সিমা। ও ও ঘুম চোখে নাম্বার দেখা হয়নি। আর হঠাত করে তো তাই চিনতে পারি নি। আর আমি তো আবিদ, পশু না। আমি মানুষ, পশু না। কই পশু বলি নি তো। কি!! তাহলে ষাড় কি? ষাড় বুঝি পশুর বাহিরে!! হুমমম,,,ষাড় বলেছি,, পশু তো বলি নি। ঘাড় আর ঐ পশু এক না। এবার ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে নিন। আচ্ছা, ফ্রেস হয়ে নিচ্ছি। আপনি ফ্রেস হয়েছেন তো না এখনো ফ্রেস হইনি। ঘুম থেকে উঠেই তো আপনাকে কল দিলাম। ঠিক আছে তাহলে আপনিও ফ্রেস নিন। ওকে। ২০ মিনিট পর,,, সিমার মোবাইলে রিং হচ্ছে,, হ্যালো হ্যালো ফ্রেস হয়েছেন? জি,,, আপনি? হুমমম,, আমিও। তো নাস্তা করেছেন? না,,মাত্রই তো ফ্রেস হলাম। তো,,,আপনি নাস্তা করেছেন তো? আমি নাস্তা করব কিভাবে,,,আপনি তো দরজা খুলতে বারন করলেন। তাছাড়া এখনো হয়তো নাস্তা পাব না। ঠিক আছে তাহলে আপনি অপেক্ষা করেন। আমি আসতেছি। এসে দুজনে একসাথে নাস্তা করব। ওকে,, তাড়াতাড়ি আসুন। ১০ মিনিট পর আবিদের মোবাইলে সিমার কল,, হ্যালো,, কই আপনি? এই তো বের হচ্ছি। কি!! এখনো বের হননি। তো আসবেন কখন!!" এই তো এখনি আসতেছি। ওকে, তাড়াতাড়ি আসেন। ৩০ মিনিট পর আবার আবিদের মোবাইলে সিমার কল,,, কই আসছেন? এই আর ৫ মিনিট লাগবে। ওকে, ৪ মিনিট পর সিমার দরজায় নক পড়ল। সিমা না শুনার ভাব করে রইল। আবারও দরজায় নক পড়ছে। সিমা বলল কে? কে দরজা নক করছে? কিন্তু দরজার পাশ থেকে কোন কথা না বলে শুধু নক দিচ্ছে। সিমা ভয় পেয়ে গেল। কে না কে? কথা বলছে না,,অথচ নক করছে। সিমা আবিদকে কল দিল। হ্যালো,, কোথায় আপনি? কে যেন দরজায় নক করছে। তাহলে দরজা খুলে দেন। না,,,, আমি খুলব। আপনি দ্রুত আসেন তো। হ্যালো,, আমিই আপনার দরজা নক করছি। এবার কি দরজা খোলা যাবে। কি!! তো কথা বলবেন না!!!! দাড়ান খুলছি। দরজার খুলে দেখে আবিদই দাড়িয়ে আছে। কি চুরি করার ধান্দা আছে নাকি? কি!!! ও হ্যালো,,, আমি চোর না। মুখে বলছেন চোর না। কিন্তু দরজায় চোরের মত নক করছেন। আর নিজের শার্টের দিকে একবার তাকান। শার্ট তো ঠিকই আছে। হুমমম, শার্ট উল্টা পড়ে আছেন। আগে তো শার্ট ঠিক করুন। ওহ!!!! আমি তো খেয়ালই করি নি। তাড়াহুড়াতে পড়েছি তো তাই। তো আপনি তৈরি আছেন,,নাস্তা করতে যাওয়ার জন্য? হুমমম, আছি। তাহলে চলুন। তারা একটি রেস্টুরেন্টে গিয়ে বসল। অর্ডার করে আবিদ বলল তো এখন কেমন লাগছে? ব্যাথা, যন্ত্রণা কমেছে? হুমম, একটু একটু কমেছে ( মাথা নিচু করে)। এই ফাকে খাবার চলে আসল। খাবার শেষে আবিদ বলল। একটা কথা বলব? হুমম বলেন। পাশেই একটা পার্ক আছে। হুমম, জানি। তো? না, যদি কিছু না মনে করেন তাহলে চলুন পার্কটা থেকে একটু ঘুরে আসি। সমস্যা নেয়, ,,, আপনি তো জানেনই পার্কটাতে সব বয়ষের লোক আসে। এবং ঐখানটা নিরিবিলি আর নির্জনও না। সিমা ভেবে বলল,, ঠিক আছে,,, যাওয়া যাক। আবিদের খেয়াল ছিল রিক্সা নিবে। কিন্তু সিমা কি বলে না কি বলে তাই আর রিক্সি নেওয়া হল না। হেঁটেই তারা পার্কে গেল। টিকেট নিয়ে তারা একটা খোলামেলা নিরিবিলি জায়গায় গিয়ে বসল। কিছুক্ষণ গল্প করে সিমা বলল নাগড় দোলায় উঠবেন? না, ভয় করে। কি!! আপনি ছেলে!! ছেলে হলে কি হবে ভয় তো পাই। আপনি উঠবেন নাকি? আমারও তো ভয় করে। আচ্ছা,,, তাহলে চলুন দুই ভীতু মিলে উঠা যাক ( সিমা)। হুমম চলেন। নাগড় দোলা উপরে উঠলে তারা দুজনেই ভয়ে ছোট হয়ে আছে। আবিদের একটা হাত সিমার হাতে লাগতে গেলে আবিদ সামলে নিল। আর মনে মনে বলল বাঁচা গেল। না হলে সিমা কিনা মনে করত। নাগড় দোলা নিচে নামার সময় সিমা একটু কাত হয়েও সামলে নিল। হয়তো সিমা আবিদের হাত ধরতে পারত। কিন্তু এখনো তো পশুত্বের ভয় ভুলতে পারে না। তাছাড়া সে আবিদের হাত ধরবেই বা কেন। পার্কেই জোহরের আজান দিয়ে দিল। কি আপনার ক্ষুধা লাগে নি( সিমা)। কি মনে হয়? মনে হয় তো ক্ষুধা লেগেছে। তাহলে চলুন খাই। হুমম,,। খাওয়া শেষে আবিদ সিমাকে নিয়ে হোটেলে গেল। তাহলে আপনি এখন বিশ্রাম নিন। ঘুমও যেতে পারেন ( আবিদ)। আর আপনি কি করবেন? আমিও না হয় বাড়িতে গিয়ে ঘুমাব। ঘুম থেকে উঠে বিকেলে আসব। ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি ঘুমান। ওকে,,, বায়। বায়। বিকেল ৪:৩০ মিনেটে আবিদের মোবাইলে সিমার কল। ১ম কল ধরতে পারে নি। ২য় কলে,, হ্যালো। কি বিশ্রাম নেয়া হয় নি ( সিমা) আপনার কলে বিশ্রাম শেষ ( আবিদ) তাই? হুমমম, আচ্ছা আসতেছি। আপনি একটু অপেক্ষা করুন। একটু না। সকালে পুরো আধ ঘন্টা লাগিয়েছেন। ওহ! আচ্ছা,,, আসেন। ঘড়ির কাঁটা........ সিমার দরজায় নক। কে? কে দরজায় নক দিচ্ছে। আমি। আমি কে? আমি আবিদ। চোর না। সিমা আবিদকে কল দিয়ে নিশ্চিত হয়ে নিল আবিদ দরজা নক দিচ্ছে কিনা। তার দুজনে হোটেলের পাশেই বসল। বসে বসে টুকিটাকি কথা আর ভাজা খাওয়ার মধ্যেই রাত ৯:১৪ বেজে গেল। আচ্ছা বাড়িতে কল দিয়েছেন? ( আবিদ) না, দেয় নি। তাহলে এখন দিন। দিয়ে কি বলব? বলবেন,, আপনার বান্ধবি আজও যেতে দিল না। আচ্ছা,, কল দিচ্ছি। সিমার মার মোবাইলে রিং হচ্ছে.... হ্যালো মা, ও না আজ যেতে দিল না। ও,, খেয়েছিস তো? ( সিমার মা) হুমম খেয়েছি। আচ্ছা,,রাখছি মা। ঠিক আছে সাবধানে থাকিস। আচ্ছা,, এবার কি উঠবেন নাকি আরো কিছুক্ষণ বসবেন। ( আবিদ) না,,,উঠুন ( সিমা)। সিমা আর আবিদ হোটেলে সিমার রুমের সামনে গেল। ঠিক আছে, অাসছি। কেউ অাসলে দরজা খোলার দরকার নেয়। কোন সমস্যা হলে অথবা খারাপ লাগলে আমাকে কল দিয়েন। আর সকালে আসব। বায়। ওকে বায়। তাহলে যান। * ৫ম পর্ব পেতে চোখ রাখুন *গল্পটি কেমন হল জানাতে ভুলবেন না। এবং পরবর্তী পর্ব চান কিনা সেটাও জানাবেন। ১ম, ২য় ও ৩য় পর্ব না পরে থাকলে পড়ে আসুন। বিঃদঃ অনুমতি ছাড়া কপি করা যাবে না।


 #প্রেগন্যান্ট_হওয়ার_ভয়_তাইতো? 
 গল্পঃ ধর্ষিতা বউ
 পর্বঃ ৫
 লেখকঃ সোহেল মাহমুদ

 সকাল ৮ টায় এলার্মে আবিদের ঘুম ভাঙ্গল। মোবাইলে তাকিয়ে দেখে সিমা কোন কল দেয় নি তো। অন্যান্য দিন তো ভোরে ভোরেই কল দেয়। কিন্তু আজ বেলা ৮ টা বেজে গেল কিন্তু মেয়েটা এখনো কল দিল না। কোন সমস্যা হয়নি তো। এসব ভেবে আবিদ সিমাকে কল দিল। হ্যালো,, হ্যালো,,ঘুম ভাঙ্গল? হুমম। আপনার কণ্ঠ এমন লাগছে কেন? না কিছু না। আপনি মনে হয় কেঁদেছেন। না। আচ্ছা,,, আমি আসতেছি। আবিদ দরজায় নক করলে সিমা দরজা খুলে দিয়ে খাটে এসে বসে রইল। আবিদ দেখল সিমার চোখ মুখ ফুলে গেছে। আবিদ বুঝতে পারল মেয়েটা রাতে অনেক কেঁদেছে। আসলে মেয়েটা স্বাভাবিক কথা বললেও তার মনে অস্বাভাবিক দুঃখ আছে। আচ্ছা, মন খারাপ করবেন না। মন খারাপ করলে তো নিজেরি সমস্যা। অনেক্ষণ চুপ থাকার পর সিমা বলল, আমাকে একটু হাসপাতালে নিয়ে যাবেন। কেন? নিয়ে চলুন না। দরকার আছে। প্রেগন্যান্ট_হওয়ার_ভয় _চাইতো? সিমা মাথা নিচু করে বলল, হুমম বলা যায় না কি থেকে কি হয়ে যায়। যদিও তখন,,, সেভ,,,,,। আচ্ছা,, ঠিক আছে। চলুন। হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষা করাল। রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর সিমার চিন্তা যেন একটু কমেছে। কোন ভয় নেয়। তবে ক্ষত গুলো এখনো শুকায় নি। তাই ঐ মহিলা ডাক্তারের কাছে গেল। পশুর ক্ষত সহজে তো আর শুকাবে না। ঔষধ নেয়ার পর সিমা বলল, রুমে চলুন। আচ্ছা, চলুন। সিমা রুমে গিয়ে চুপচাপ বসে থাকলো। আবিদ বলল ঔষধ খাওয়া লাগবে। কোন এক সময় খেয়ে নিব। এখন ভালো লাগছে না। এখনি খেয়ে নিন। প্রায় দুপুর হয়ে গেছে। আমি বাহির থেকে খাবার নিয়ে আসছি। তারপর একটু কিছু খেয়ে ওষুধ খাবেন। সিমা শুধু মাথা নাড়ল। ওষুধ খাইয়ে আবিদ বলল আমার একটু কাজ আছে একটু আসছি। আপনি শুয়ে থাকুন। ঠিক আছে যান। বিকেলে আবিদ কল দিয়ে সিমার খবর নিল। কি করছেন? ( আবিদ) এই শুয়ে আছি ( সিমা) ঠিক আছে তাহলে বিশ্রাম নিন। আমি একটু পরে আসব। মন খারাপ করবেন না। আবিদ কাজ থেকে ফিরতে ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে গেল। সন্ধ্যায় আবিদ সিমার দরজায় অনেকক্ষণ নক করার পরেও দাড়িয়ে থাকতে হল। আজ সিমাকে কল দিয়ে দরজা খুলতে হল। দেখল সিমা শুয়ে আছে. কি শরীর খারাপ নাকি। না সেরকম কিছু না তবে শরীর কেমন জানি লাগছে। ভালো লাগছে না। আবিদ সিমার কপালে হাত দিল। এ কি অনেক জ্বর। উঠোন হাসপাতালে যাওয়া লাগবে। না লাগবে না। পারলে আমাকে একটা নাপা এনে দিন। আপনার শরীরে যে জ্বর। তাতে নাপা কাজ হবে না ডাক্তার দেখাতে হবে। আচ্ছা ঠিক আছে চলুন। ডাক্তার দেখে বলল, না তেমন কোন সমস্যা না। ব্যথা, ক্ষত আর চিন্তার কারণে জ্বর হয়েছে অন্য কোন ব্যাপার না। আচ্ছা আমি ওষুধ দিয়ে দিচ্ছি আশা করি ঠিক হয়ে যাবে খুব শীঘ্রই। তবে পারলে কিছু পরীক্ষা করে নেওয়াটাই ভালো হবে। আবিদ কোন সমস্যা হতে দিতে চাইলো না। তাই সে পরীক্ষা করে নেওয়াটাই ভালো মনে করলা। ডাক্তারকে বলল, ঠিক আছে তাহলে যদি পরীক্ষা করা ভাল মনে করেন তাহলে পরীক্ষা করুন। পরীক্ষা শেষে রিপোর্ট আসতে প্রায় এক থেকে দেড় ঘন্টার মত সময় লাগবে. ওয়েটিং রুমে আবিদ সিমা অপেক্ষা করছে কিন্তু সিমার মুখ দিয়ে কোন কথাই বের হচ্ছে না। আমি বলল বসে থাকতে থাকতে বোর লাগছে. তাহলে কি করবেন। চলুন গান শুনি. ভালো লাগছে না গান শুনতে এখন আপনি না হয় শুনুন। গান শুনলে মাঝে মাঝে ভালো লাগে চাইলে আপনি শুনতে পারেন। আবিদ পকেট থেকে ইয়ারফোনটা বের করে একটা গান প্লে করুল এবং একটা মাথা নিয়ে কানে দিল এবং অন্য মাথা সিমাকে দিল। অনিচ্ছা সত্ত্বেও সে ইয়ারফোন নিয়ে গান শুনতে লাগে। এরমধ্যে রিপোর্টের জন্য ডাক পরল। ডাক্তার রিপোর্ট দেখে বললাম তেমন কোন সমস্যা নাই। তবে হাতে নখের আচরে, কামড়ের জন্য যে ক্ষত হয়েছে তাতে ইনফেকশন হয়েছে এতটুকু। তো ভয়ের কোন কারণ নেই ওষুধ দিলে শীঘ্রই সেরে যাবে। আবিদ ডাক্তারকে তো পুরো শরীর দেখায়নি শুধু হাতের একটা অংশ দেখিয়েছে যেখানে ক্ষত হয়েছে। আবিদ সিমার শুধু হাতের অংশটুকু দেখিয়েছে যেখানে কামড় এবং আচড়ের কারনে ক্ষত হয়ে গেছে। সিমার পুরো শরীরটা দেখায়নি তাতে ডাক্তারও কিছুই বুঝতে পারল না। ঔষধ নিয়ে নিয়ে সরাসরি রুমে চলে গেল। যেহেতু সিমার শরীর খারাপ ছিল তাই পথে দেরি না করে সাথে করে রাতের খাবারটা নিয়ে নিল। খাবার খাইয়ে ঔষধ খাওয়ানোর পর আবিদ বললো ঠিক আছে তাহলে আমি এখন আসি রাত হয়ে গেছে। আবিদ দেরি করাটা উচিত মনে করল না। বেশি জ্বর না হলেও এখন তার পাশে কারো থাকা দরকার। কিন্তু কি করবে কিছু তো করার নেয়। ঠিক আছে তাহলে যান। ঠিক আছে,, কষ্ট করে দরজাটা দিন। নিজের দিকে খেয়াল রাখুন। কোন সমস্যা হলে কল দিতে ভুলবেন না। ঠিক আছে বায় ( সিমা)। বায় ( আবিদ)। * ৬ষ্ঠ পর্ব পেতে চোখ রাখুন * গল্পটি কেমন হল জানাতে ভুলবেন না। এবং পরবর্তী পর্ব চান কিনা সেটাও জানাবেন। ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ পর্ব না পরে থাকলে পড়ে আসুন। বিঃদঃ অনুমতি ছাড়া কপি করা যাবে না।


 আমি আপনার পায়ে পড়ি। হাতজোড় করে ক্ষমা চাচ্ছি। আমাকে ছেড়ে দিন। গল্পঃ ধর্ষিতা বউ পর্বঃ ৬ লেখকঃ সোহেল মাহমুদ

 পরেরদিন সিমা মোটামুটি সুস্থ হলো। আচ্ছা এভাবে আর কয়দিন থাকব এখানে। আমাকে একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। আপনি এখনো পুরোপুরি ঠিক হয়নি। ঠিক আছে দু-একদিনে হয়তো সুস্থ হয়ে যাব। কি চাকরি করবেন আপনি। আমারতো ইন্টারমিডিয়েট এর সার্টিফিকেট আছে। এটা দিয়ে দেখেন কি ভাল চাকরি পাওয়া যায়। চাকরি একটা আছে। তবে,, তবে কি? চাকরিটা করতে হবে একজন পুরুষের অধিনে । ওহো এটা তো অনেক সমস্যা। হুমম আচ্ছা লোকটার বয়স কেমন? লোকটা মাস বয়সী। লোকটার বয়স যদি একটু বেশি হয়ে থাকে এবং লোকটা ভালো হলে চাকরিটা করা যায়। ও হা কি চাকরি সেটাই তো বললেন না। ওনার এসিস্ট্যান্ট হয়ে কাজ করতে হবে। উনি অফিস করেন আপনি উনাকে হেল্প করবেন এটাই আপনার দায়িত্ব তবে যেহেতু পুরুষের অধিনে সেহেতু আপনার চাকরিটা না করায় হয়তো ভালো হবে। তবে লোকটার যেহেতু একটু বয়স বেশি। হয়তো সমস্যা টা হবে না। আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে কালকে চলুন ওনার সাথে দেখা করি। পরের দিন,,, পরেরদিন আবিদ আর সিমা লোকটার সাথে দেখা করল এবং লোকটাকে ভালো মনে হল তাই তারা চাকরিটা করবে বলে জানিয়ে দিল। পরের দিন থেকেই সিমার চাকরিতে জয়েন। চাকরিটা পেয়ে সিমা চাকরি করতে থাকলো আর আবিদ তার মত থাকলো। কিন্তু তাদের মাঝে যোগাযোগটা ঠিকই আছে। সব ঠিকঠাক চলছিল কিন্তু হঠাৎ একদিন বাধ্য এক বিপদ!!!!!!! ঐদিন লাঞ্চ আওয়ারের কিছুক্ষণ আগে থেকেই সিমার বসের নজর টা কেমন যেন লাগলো!! তাই সে আবিদকে কল দিয়ে বলল যে আপনি একটু আমার অফিসে আসতে পারবেন। আমি লাঞ্চ করে আজ চলে যাব। বসের কি যেন হয়েছে। আমার ব্যাপারটা ঠিক ভাল লাগছে না। আচ্ছা ঠিক আছে, আমি আসতেছি। প্লিজ একটু তাড়াতাড়ি আসেন। ওকে আসতেছি। কিছুক্ষণ পর সিমার বাথরুম চাপল। সিমা বাথরুমে গেলো আসতে একটু দেরি হল। সিমা বাথরুম থেকে এসে অবাক হয়ে গেল! অফিসে বস ছাড়া আর কেউ নেই। অফিসের দরজা জানালা সব বন্ধ। সিমাকে বাথরুম থেকে আসার পর বস জিজ্ঞেস করল এসেছো তাহলে। জি স্যার। স্যার, কোন কিছু হয়েছে? মানে অফিসে কেউ নেই আর সব দরজা-জানালা বন্ধ। বসের সাথে কথা বলতে বলতে সিমা আবিদকে খুব সাবধান একটা মেসেজ করল। আমার অনেক বিপদ হয়তো আবারো আমার উপর পশুর আক্রমণ হতে পারে। প্লিজ একটু দ্রুত আসুন। প্লিজ প্লিজ। না তেমন কিছু না। আজ আমি আর তুমি অফিসে একটু স্পেশাল ভাবে থাকবো। স্পেশাল ভাবে খাব স্পেশালভাবে সময় কাটাবো। কিন্তু স্যার স্পেশালভাবে সময় কাটানোর জন্য তো আপনার বউ আছে। আমি তো আপনার মেয়ের বয়সী। তাছাড়া আমার সাথে স্পেশালভাবে সময় কাটাবেন কেন? তা জানি না, তবে আজ তোমার সাথে স্পেশালভাবে সময় কাটাবো। একথা বলেই লোকটা সিমার দিকে এগিয়ে গেল অমনি সিমা পিছনে হাঁটতে লাগলো। প্লিজ স্যার আমি আপনার মেয়ের বয়সী। আমার সাথে এমন কিছু করবেন না যেটা আপনার মেয়ের সাথে করলে আপনার মেয়ের ক্ষতি হবে। প্লিজ দেখো আমি এত কিছু বুঝিনা তবে এই মুহূর্তে তোমার সাথে আনন্দ করব। স্যার আমাকে ক্ষমা করে দিন, প্লিজ। আমি আপনার পায়ে পড়ি। হাতজোড় করে ক্ষমা চাচ্ছি। আমাকে ছেড়ে দিন। কিন্তু ওই লোকটা তো আর সিমার কাকুতি-মিনতি শুনলো না। সে সিমার দিকে এগিয়ে দ্রুত যাচ্ছে। সিমা দেখল লোকটা সিমার কথা শুনছে না। তখন সিমা পিছনের দিকে দৌড় দিল। কিন্তু কি করার সিমা দেয়ালের সাথে ধাক্কা খেলো আর ধাক্কা খেয়ে পড়ে গেল। তখন লোকটা সিমা কে ধরে ফেলল। সিমাকে চেপে শুইয়ে দিল। সিমা লোকটা জাপটাজাপটি করতে লাগলো। কিন্তু সিমা তো একটা পুরুষের সাথে পারে না লোকটা সিমার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত চালাতে লাগল। এক পর্যায়ে সিমার শরীর থেকে শুধু অন্তর্বাস গুলো ছাড়া সব কাপড় খুলে ফেললো। সিমা চোখ দিয়ে পানি ফেলে দিল আর তার সমস্ত শক্তি দিয়ে লোকটাকে সরাতে চাইল এবং মুখ দিয়ে চিৎকার করতে লাগলো। কেউ কি নেই পশুর হাত থেকে আমাকে বাঁচাতে। হে, আল্লাহ তুমি আমাকে রক্ষা করো। আবিদ আবিদ বাঁচাও আমাকে। ঠিক তখনই কপাটে ধাক্কা লাগল। আর কে যেন ডাকছে সিমা সিমা বলে। সিমা কন্ঠটা শুনে বলল আবিদ! আবিদের আগমনে সিমা যেন অনেক শক্তি পেয়ে গেল। সিমা লোকটাকে এক ধাক্কায় ফেলে দিল এবং এক দৌড়ে দরজাটা খুলে আবিদের বুকে গিয়ে পরল। আবিদ দেখল সিমার শরীরে শুধু অন্তর্বাস ছাড়া আর কোন কাপড়ে নেই। এবং আবিদ দেখল ভিতরের লোকটা এবং তার পাশেই সিমার কাপড় গুলো পড়ে আছে। আবিদ সেদিকে দৌড় দিল। আবিদের দৌড় দেখে লোকটা অন্য রুমে গিয়ে ভেতর থেকে দরজা লক করে দিল। আবিদ কাপড় গুলো নিয়ে সিমাকে দিল এবং বলল পড়ে নিন দ্রুত। আবিদ সিমাকে কাপড় পড়তে দিয়ে যে রুমে লোকটা আছে সেই রুমের দরজা ভাঙতে লাগল। সিমার কাপড় পড়া হয়ে গেল আর দরজা ভেঙ্গে গেল। অমনি ধরে আবিদ লোকটাকে মারতে লাগলো আবিদ মার এই পশুটাকে। যে নিজের মেয়ের বয়সী মেয়েকে ছাড়ে না। আবিদ লোকটাকে মারছে। মারের একপর্যায়ে লোকটা আবিদকে ধাক্কা দিয়ে বাইরে দৌড়ে পালিয়ে গেল। সিমা অঝোরে কেঁদে যাচ্ছে। এখন কাঁদছেন কেন!? তখন যে আমি মানা করেছিলাম পুরুষের অধীনে কাজ করতে সেটা তো শুনেননি। আমি তখন বলেছিলাম বাবার বয়সী পুরুষ হলেও পুরুষের অধীনে কাজ না করার জন্য। আমি কি জানতাম একজন বাবার বয়সী পুরুষও তার মেয়ের বয়সী মেয়ের দিকে পশুত্বের ভাব আনতে পারে! আমি কি জানতাম একজন বাবার বয়সী মানুষের মাঝেও পশুর ভাব থাকে! আমি কি জানতাম যাকে দেখতে উপর থেকে ভালো দেখা যায় তার ভিতরে যে পশু বাস করে! * ৭ম পর্ব পেতে চোখ রাখুন * গল্পটি কেমন হল জানাতে ভুলবেন না। এবং পরবর্তী পর্ব চান কিনা সেটাও জানাবেন। ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম পর্ব না পরে থাকলে পড়ে আসুন। বিঃদঃ অনুমতি ছাড়া কপি করা যাবে না।


গল্পঃ ধর্ষিতা বউ পর্বঃ ১, ২ ও ৩ bangla love story ভালবাসার গল্প


Post a Comment

Previous Post Next Post