আলস্য শয়তানের বালিশ motivational speach

আলস্য শয়তানের বালিশ | motivational speach | bangla motivational speach


আলস্য শয়তানের বালিশ, তাইতো আমরা বালিশে মাথা দিলেই আমাদের আলসেমি দেখা দেয়। বালিশ আমাদের পরম বিশ্রামের বস্তু। বালিশে মাথা দিতে পারলে যেন একটু শান্তি পাই। অলস

  ক্লান্তি শেষে বালিশকে আপন করতে চায় না, এমন মানুষ খুব কম দেখা যায়। বালিশ আমাদের পরম ঘুমের বস্তু . কিন্তু আমরা বেশিক্ষণ সময় অলসতায় মাধ্যমে খুঁজে পাই । নিজেকে একটু হেলিয়ে দিয়ে বিছানায় আর এই বিছানায় এলিয়ে দেওয়ার সাথে সাথে ঘুমের অভিযোগ শুরু হয়।  bangla motivational speach 


 আমাদেরকে কাজ থেকে দূরে রাখে , আজ করবো কাল করব এবং এস করতে করতেই কাজগুলো করা হয় না।  ফলে আমরা আদর্শের একটা বাস্তবতা গোডাউন হিসেবে তৈরী হয়ে যায়।  যেখান থেকে বেরিয়ে আসতে আমাদের অনেক অনেক কষ্ট হয়।  এমনকি আমরা পারিও না ।  একবার যখন আমাদেরকে আলস্য গ্রাস করে ফেলে তখন কাটিয়ে তুলতে অনেক অনেক অনেক পরিশ্রম করতে হয়।  যা আমরা করতে পারি না । একটা কাজ যেটা আমি আজকে করে ফেললাম শেষ কিন্তু সেই কাজটা আজকে করলাম না কালকে করব বলে এবং আগামীকাল ও  আমি করবো না আগামীকাল করব এবং প্রতিদিনই যখন আমি বলেই আজকে করব না কালকে করব কিন্তু করা হয়নি । 

এভাবে করতে করতে একসময় গেল আমার পিছে যতগুলো কাজ আছে সবগুলো এসে আমার সামনে হাজির।  তখন কি হয় এক কেজি ওজন  তুমি যত সহজে টানতে পারবে মনে করো তোমার পিছনে 100 দিনে 100 কেজি যখন হয়ে যায়।

  তখনি একসঙ্গে  কিন্তু একা এবং এক মুহূর্তে এটা না কিন্তু সম্ভব হয় না।  তাই আলস্যকে বাদ দিয়ে চলো একটু পরিশ্রম কর। প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন করো তাহলে তারা যেন অলসতা কে বাদ দিতে হবে । কাজ ফেলে রাখা যাবে না।  যখন যেটা করা উচিত যখন যেটা করা দরকার হবে তখন তোমাকে সেটাই করতে হবে।

 এখন ভালো লাগছেনা পরে করব কিন্তু করা হয় না এটা করা যাবে না। এখন যেটা দরকার সেটা করবে তখন আর কাজ গুলো বোঝা হবে না। কিন্তু তখন যখন তুমি কাজটা ফেলে রেখে দিবে তখন যদি কাজটা করা না হয় তখন তা বোঝা হয়ে যাবে । তারপরে তো অনেক কঠিন ব্যাপার । 

যখন এর কাজ তখন করে এতে আমাদের সফলতা আসবেই আসতে হবে ইনশাল্লাহ

Post a Comment

Previous Post Next Post