কাহারও প্রতি দোষারোপ করিও না,
যদি তুমি তাহার দোষের নিশ্চিত প্রমাণ না পাও। Motivation

কাহারও প্রতি দোষারোপ করিও না,  যদি তুমি তাহার দোষের নিশ্চিত প্রমাণ না পাও। Motivation speach bangla

আমরা খুব সহজেই একে অন্যের উপর দোষ চাপিয়ে দেয়। সে দোষী কিনা সেটা না ভেবেই আমরা তাকে দোষী বলি। অনেক কঠিন দোষে সাব্যস্ত কর এমন হয় যে ওই লোকটা জাননা এই কাজটা হয়েছে। একটু খারাপ করা বা এ ধরনের কাজ হয়েছে সে জানে না কিন্তু আমরা সেই কাজের জন্য বা অপরাধের জন্য আমরা ঐ লোকটাকে অপরাধী করি। তার ওপর দোষ চাপিয়ে দেয়।  Motivation speach bangla 

 অথচ আমাদের কাছে এর কোন প্রমাণ থাকে না যে ঐ লোকটা দুষি কিন্তু যথেষ্ট প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও আমরা লোকটাকে বাজে ভাবে ফাসিয়ে দেয়। কোন সাম্প্রতিক ঘটনা বলা যেতে পারে যেকোনো সম্প্রতিককালে যেকোনো একটি ঘটনা ঘটল একটা লোককে প্রাথমিক পর্যায়ে সন্দেহ করার লক্ষ্যেই অপরাধী হিসেবে ধরে নিয়ে থাকে সেটা যে কোন অবস্থাতে যেকোনো পরিবেশে করতে পারে সেটা হতে পারে সামাজিক হতে পারে আন্তর্জাতিক হতে পারে এমনকি আমাদের বাসায় হয়ে যায়।  Motivation speach 

 একটা জিনিস চুরি হয়ে গেল আমরা কাজের মেয়ে বা ছেলে কে দোষী বলে তার উপর অত্যাচার করি তাকে মারপিট করি সে যতে দোষটা স্বীকার করে। কিন্তু আমরা জানিই না বা আমরা আদৌ জানিনা। প্রমান নেই যে এই ছেলে বা মেয়েরা এই জিনিসটা চুরি করেছে। আমরা তাদেরকে সন্দেহ করি এবং সন্দেহের বশে আমরা এটাই সিউর হয়ে যাই যে এই কাজটা করেছে।  এটা কিন্তু ঠিক না 

একটা মানুষকে তোমার তখনই দোষী হিসেবে সাব্যস্ত করা উচিত যখন ঐ লোকটা দোষী হওয়ার প্রমাণ তোমার কাছে থাকবে। যতক্ষণ পর্যন্ত ঐ লোকটার দোষী প্রমাণ তোমার কাছে থাকবে না ততক্ষণ পর্যন্ত ঐ লোকটাকে দোষী বলতে পারো না।  

সন্দেহ করতে পারে তুমি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারো। সন্দেহ কিন্তু সে দোষী না। সন্দেহ আর দোষী কিন্তু এক না। কিন্তু আমরা ভুল করে হোক আর যাই হোক সন্দেহ অার দোষ করাকে এক করে ফেলি।  সন্দেহ করে ফেলে আমাদের অনেক খারাপ মুহূর্ত পার করতে হয়। এগুলো একটা মানুষের জীবনে চলে  যেতে পারে। অনেক পরিবার রাস্তায় নামতে পারে 

।  যখন একটা লোক দোষী হিসেবে প্রমাণিত হয়ে যায়। তখনই এর প্রভাব শুধু তার উপরে পড়ে না বরং তাঁর পরিবারের উপর পড়ে তার ছেলে সন্তান বাবা-মা-ভাই-বোন বউ এর ফল ভোগ করতে হয়। এমন হয়েছে একটা লোক যখন দোষী হয়ে যায় তখন তার পরিবার টা খেতে পারে না, চলতে পারে না, অচল হয়েছে। পুরো পরিবারটা তাদেরকে অনেক কঠিন কঠিন লাঞ্ছনা-বঞ্চনা স্বীকার করতে হয়। পথে নেমে যেতে হয়। না খেয়ে থাকতে হয়। এগুলোর ডিপেন্ড করে অবস্থার উপর। কোন কোন সময় পুরো পরিবার ধ্বংসের পথে নামতে পারে।

 তাই দোষী শুধু সেই হয়, তা না অনেকের উপর প্রভাব ফেলে।  কাউকে দোষী করার আগে অবশ্যই প্রমাণ থাকতে হবে। প্রমাণ করে দিতে হবে। সে তাকে প্রাথমিক পর্যায়ে সন্দেহ করবে, তারপর না হয় হিসেবে প্রমাণ হলো দোষী কিন্তু সন্দেহ হিসেবে তার সাজা দেওয়া যাবেনা। সন্দেহের বশে প্রাথমিক পর্যায়ে যা যা  করা লাগে সেগুলো করা যেতে পারে কিন্তু সন্দেহের বশে কাউকে দোষী করা যাবে না বা কঠিন সাজা দেওয়া যাবেনা যেটা তার পরিবার তার জীবনের সংকা হিসেবে দাঁড়ায়। 

তাই কাউকে তখনই দোষী হিসেবে সাজা দিবে যখন তোমার কাছে তার উপযুক্ত প্রমাণ থাকবে।


Post a Comment

Previous Post Next Post