গল্প অভাগী  পর্ব :১২

লেখক  তাবাসসুম


গল্প অভাগী  পর্ব ১২ , bangla love story, bd love story, love story, valobasar golp, রোমান্টিক ভালবাসার গল্প


রোমান্টিক ভালবাসার গল্প মেয়ে জাতটাই হইত কষ্টের জন্য জন্মেছে,, চোখের জ্বল ওদের সজ্ঞি,,, ওরা অতি সুখেও কাঁদে আর অতি কষ্টেও কাঁদে,, পুতুলের ন্যায় তারা,,, বাবা মার ঘড়ে থাকাকালীন সম্পূর্ন স্বাধিনতাতেও কিন্তু থাকে না,,, কারন বাবা শর্ত দিয়েই দেয়,, এত কষ্ট করেছি তুমার জন্য, আমাদের মান সম্মান নষ্ট হয় এমন কিছু করো না,, কাউকে ভালোবাসতে পারবে না,, আমরা তুমার জন্য ছেলে দেখবো, আরো অনেক কথা,, বাবা মা বিয়ে দিলেই যে মেয়ে সুখী হবে তার ১০০% ভরসা বাবা মা দিতে পারে না।ওনারা মেয়েদের বিয়ে দিয়ে এই শান্তিতে থাকে, মেয়েকে নিজের পছন্দের ছেলের কাছে বিয়ে দিয়েছি,, কিন্তু পরিবার কি এই খবর নিতে পারে যে ছেলে টাকা রোজগারের সাথে যে পরকিয়া করছে না,,!!! নেশা করছে না,, এইসব জানতে পারে কি??? পারে না,, এইসব কিছু পরে একটা মেয়ের ফেইস করা লাগে,,, জীবনে যদি কখনো সত্ত্য ভালোবাসার দেখা মিলে তাকে অবহেলা করা উচিত না,,, টাকা পয়সা কইদিনের,, টাকা দিয়ে সুখ হয় না,, ভালো থাকার জনু যেইটুকু দরকার ততটুকু দিয়েই ভালো থাকা যায় । মেঘ তো তার জীবনে টাকা চায় নি,,, চেয়েছিলো একটু ভালোবাসা,,, যে তাকে ভালোবাসার চাদরে একটু জড়িয়ে রাখবে, সব দুঃখ ভুলিয়ে দিবে ভালোবাসে নকশি কাঁথায়,, কিন্তু মেঘের জীবনের গুরুত্বপূর্ন একটি অংশ তার স্বামী ছিলো,, কিন্তু সেই স্বামীও তাকে বুঝলো না,, এত টাই খারাপ ভাবে, যা মেঘ নিতে পারছে না,,,


 bangla love story সারাটা রাত মেঘ বারান্দায় কান্না করে কাটালো,,,আজ ফ্রাইডে থাকায় আকাশ বাসায় বেলা অব্দি ঘুমুচ্ছে,,মেঘ একটা সিল্কের শাড়ি পড়েছে,, মেঘের বরাবরের ইচ্ছে ছিলো,, বিয়ের পর শাড়ি পরবে সবসময়,, ছেলেদের নাকি মেয়েদের শাড়ি পড়ায় বেশি ভালো লাগে কিন্তু মেঘের তো স্বামী সোহাগী কপাল না, তাই সবসময় পড়ে না কিন্তু আজ কি ভেবে যেনো পড়লো,,মেঘ নিচে গিয়ে দেখলো আসমা বেগম আর ভাবী রান্না করছে,,,মা আমিও কিছু করবো,,আরে তোর করা লাগবে না, আমরা করে নিচ্ছি,প্লিজ মা, আমিও করি না,, তুমি আর ভাবী কিছুই করতে দাও না,, শুধু বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াও আমাকে,,ভাবী,,, বারে এত পিচ্চি মেয়েটাকে দিয়ে কাজ করানো যায় নাকি,, হাতে ছেকা লাগলে!! তুই আমাদের সামনে সেজেগুজে ঘুড়বি তাহলেই হবে । ওফ ভাবী, তুমিও না,, টিভিতে দেখি ভাবিরা তার ছোট ভাইয়ের বউদের কি জ্বালানো জালায়, আমি তো ভাবছি সবাই এমন,, কিন্তু তুমি তো পুরু মা টাইপ,, ইম ভাববার  বিষয়,,, তুমু মানে হয় বুড়ি হয়ে গেছো,,, তাই মা মা ভাব । 

 bd love story তবে রে, বলেই দৌড়ানু শুরু,, মেঘ আর ভাবী খিল খিল করে হাসছে আর ছুটছে, আসমা বেগম,,  পাগলি দুটুই আকাশ ঘুম থেকে উঠে উপর থেকে সব দেখছিলো,, মেঘের সেই ভুবন বুলানো হাসি,,, আজ মেঘ চুল ছেড়ে রেখেছে,, আকাশ হা করে তাকিয়ে আছে চুলের দিকে,, হাটু অব্দি মেঘের চুল,, সুন্দর ধবধবে সাদা গায়ের রং,, চোখের ভ্রু গুলু একবারে কালো,, টানা টানা চোখ,, ঘন চোখের পাপড়ি,, গোলাপি ঠোঁট,,আকাশের বুকের ভেতর ডিপ ডিপ শব্দ করছিলো,,, আগে কখনো মেঘকে এত খেয়াল করে দেখে নি,, ছুটা ছুটির কারনে মেঘের কোমড় থেকে কাপড়টা হালকা সরে গিয়েছে,,,, আকাশের চোখ আটকে গেলো মেঘের নাভির দিকে,, কুয়োর মত গর্ত নাভী কূপ,,, আকাশের কেমন কেমন যেনো লাগছে,, মনে হচ্ছিলো একটু ছুয়ে দিয়ে আসি,, মেঘ গ্লাস দিয়ে পানি খাচ্ছিলো,, ছুটা ছুটি করে হাপানি উঠে গেছে দুইজনেরি,, দুইজনি খিল খিল করে হাসছে আর পানি খাচ্ছিলো,,, হঠাৎ মেঘের নজর উপর দিকে যায়,, মেঘ দেখলো আকাশ কিভাবে যেনো তাকিয়ে আছে ওর দিকে,, চোখ সরাচ্ছে না,, আকাশের দৃষ্টি অনুসরন করে মেঘ নিজের দিকে তাকালো, দেখলো মেঘের পেট থেকে কাপড়টি সরে গেছে,, সাথে সাথে মেঘ ঢেকে ফেললো,, ঢেকে ফেলতেই আকাশের ঘূড় কাটলো,, আকাশ,, কি হয়েছিলো আমার!! এইরকম করে তাকিয়ে ছিলা। কেনো আমি!!! ওয়ারথলেস,, বলেই ঘড়ে চলে গেলো,, মেঘের কেমন যেনো সংকুচ কাজ করছিলো,,, আকাশ কেনো এইভাবে তাকিয়ে ছিলো!? তাহলে কি আকাশ একটু একটু দুর্বল হচ্ছে??


 love story এইসব ভাবতেই মেঘ ব্লাস করছিলো,,কিগো,, আমার পিচ্চি  জা এমন ভাবে ব্লাস করছে কেনো??? রাতে কি দেবর জি বেশি আদর করেছে নাকি! হুম হুম । যাও ভাবী,, কিযে বলো না, ( বলেই মেঘ রান্না ঘড়ে দৌড়ে চলে যায়)  তারপর সবাই নাস্তা করতে বসলো,, আকাশের পছন্দের, সবজি খিচুড়ি,, বেগুন ভাজী,, সালাদ,, সবাই খেতে বসলো কিন্তু মেঘ বাহানা করে ভাবীর মেয়েকে বললো ও নিজে খাওয়াবে, কারন মেঘ ঐ কথার পর থেকে খাবার খায় না,, নিজের কিনা বাজার করে তাতে সব বাজারের সাথে যেইদিন রাখতে পারে ঐদিন খায় নইত খায় না,,  মেঘ রিমিকে নিয়ে টিভির সামনে বসে খাওয়াতে লাগলো,, আর নানা কথায় দুইজন ফেটে পড়ছে,, রিমিকে খাইয়ে মেঘ উপরে মুড়ি, চিনি আর পানি মিশিয়ে এক বাটিতে করে নিয়ে যায় ঘড়ে,, ঘড়ে সুফায় বসে পা দুলাতে দুলাতে খেতে থাকে ( খুব টেস কিন্তু খাইতে) ,,আকাশ এসে দেখে মেঘ মনযোগ দিয়ে খাচ্ছে আর পা নাচাচ্ছে,, একদম বাচ্চাদের মতন,, মেঘ আকাশকে দেখে নড়ে চড়ে বারান্দায় যেতে নেয়, তখনি এইসব মুড়ি আর পানি খেলে স্বাস্থ্য নষ্ট হয়,, নাস্তা করেন নি কেনো,, আর এইসব ছাইপাস খাচ্ছেন কেনো। মিডিল ক্লাস মেয়ে তো,, তাই হাই ক্লাস খাবার দাবার কোনোটা জানি না,বলেই মেঘ বারান্দায় দুলনায় বসে ঝুলে ঝুলে খেতে লাগলো,,


alobasar golp আকাশ হাত থেকে ঘড়ি খুলিছিলো,, মেঘের উত্তরে ঐভাবেই দাড়িয়ে রইল কিছুক্ষন,,,মেঘ ল্যাপটপ নিয়ে বসলো,, কাজ করতে,, মেঘ বারান্দা থেকে এসে চুলটা বিনুনি করে নিচ্ছে,, পিঠ থেকে চুল সরাতেই মেঘের সাদা পিঠের দিকে আকাশের নজর গেলো,,, আবার তড়িঘড়ি করে চোখ ফিরিয়ে নিলো,, কিন্তু কয়েক সেকেন্ড যেতেই আবার চোখ গেলো আকাশের,, মেঘ তার চুল নিয়ে ব্যাস্ত,, হঠাৎ মাথায় ব্যান্ড দিয়ে চুল বাধবে তখনি হাত থেকে ব্যান্ড টি আকাশের দিকে এসে পড়ে,, মেঘ নিচু হলো ব্যান্ড টি নেওয়ার জন্য অসাবধানতায় বুকের দিকের কাপড়টা সরে গিয়ে বুকের ভাজ দেখা যাচ্ছে,,, এইদিকে আকাশের শরীরে মনে হচ্ছে, ঠান্ডা শীতল হাওয়া বয়ে যাচ্ছে, আর কন্ট্রোল করতে না পেরে মেঘ কে উঠিয়ে দিলো এক থাপ্পোর,,, শরীর দেখিয়ে আমাকে আকৃষ্ট করতে চাচ্ছেন,,, শরীর দেখানোর এতই ইচ্ছা থাকলে পতিতা লয়ে যান,, বলেই বেরিয়ে চলে গেলো,, মেঘ ঐভাবেই গালে হাত দিয়ে দাড়িয়ে রইল,, কি থেকে কি হলো বুঝতে পারলো না,, চড়টা যতটা না লেঘেছে তার থেকে বেশি লেগেছে আকাশের ঐকথাটা,,,,


bdlovestory.com আজ সন্ধ্যায় আকাশের বিজন্যাস এক পার্টি আছে । আকাশের মা মেঘকে সাথে নিয়ে যেতে বলেছে কিন্তু আকাশ নিয়ে যেতে চাইছিলো না,,, কিন্তু মায়ের জেদের কাছে হার মানতে হলো,,আপনি তো না করতে পারতেন,,, যে আপিনি যাবেন না,, আর আপনার তো ইচ্ছাই আছে ঐখানে যাওয়ার তাই না করেন নি,, বুঝি তো,, এমন পার্টিতে জীবনে কখনো যাননি তাই লোভ সামলাতে পারেন নি,,,,,,,,,, হা করে দাড়িয়ে আছেন কেনো,, রেডি হন, ১০ মিনিটের ভিতর রেডি হবেন, নইত আপনাকে রেখেই চলে যাবো, তখন মাকে কি করে সামলাবেন তা আপনি বুঝবেন, আর হ্যা একটা কথা ঐখানে কেউ যেনো না জানে আপনি আমার কি হন,,আমি আপনার কি হই? আকাশ ভ্রু কুঁচকে তাকিয়ে,,মেঘ ঘাবড়ে গিয়ে তাড়াতাড়ি তৈরি হতে ব্যাস্ত হয়ে গেলো,,,মেঘ কালো হাল্ফ জর্জেটের একটা শাড়ি পড়েছে,, তার উপর সাদা স্টোন বসানো পুরু শাড়ি জুড়ে,, গলায় ডাইমন্ডের হাল্কা একটা চেইন, কানে ইয়ার রিং,, হাতে সিম্পুল চুড়ি,, চুল গুলি হালকা পাফ করে ছেড়ে দিয়েছে,, একপাশে সাদা ফুল দিয়ে দিলো,,, আর হালকা মেইক ওভার,, হাইলাইটার দিয়ে মেকাপ টা ফিনিসিং দিয়ে নিলো,, তারপর সেটাপ স্প্রে দিয়ে উঠে গেলো,,, এই হালকা সাজেই মেঘকে অপুর্ব লাগছে,,,আসমা বেগম নিচেই ছিলো,, তাই দেখেই,, মাসায়াল্লাহ,, কি সুন্দর লাগছে,, মেঘের চোখের কোন থেকে কাজল নিয়ে কানের পিছনে দিয়ে বললো,,  কারো নজর যেনো না লাগে,,মেঘ বিদায় নিয়ে বেরিয়ে গেলো,, আকাশ গাড়িতেই বসে ছিলো,, পেন্সিল হিল পড়ে মেঘ আকাশের পাশের সিটটাই গিয়ে বসলো,, , আকাশ একবার তাকিয়ে ড্রাইভ করতে লাগলো,,,,মেঘ কোন কথা বললো না,,, রাতের বেলায় দুইজন স্বামী স্ত্রী যাচ্ছে কিন্তু তাদের মাঝে কোন কথা নেই,, সোডিয়ান লাইটের আলোতে মেঘের গায়ের রং অন্যরকম হয়ে যাচ্ছে,, রাস্তার সোডিয়াম লাইটের আলো মেঘের শরীরে এসে পড়ছে ,,, অদ্ভুত সুন্দর লাগে সোডিয়াম লাইটের আলোটা,, গায়ে পড়তেই মনে হয় আমি হলুদ,, বা মেটে হয়ে গিয়েছি,, মেঘ জনালা টা খুলে তার হাত বাহিরে রাখলো,, অদ্ভুত খেলা করছিলো মেঘের মন,, আড় চোখে আকাশ তা খেয়াল করিছিলো,,,,


romantic bangla love story পার্টি ভ্যান্যুর কিছুদূর যেতেই আকাশ,,আপনি এইখানে নেমে,, সামনের সেন্টারে আসেন । মানে! আপনাকে নিয়ে আমি একিসাথে নামতে পারবো না,, আমার একটা প্রেস্টিজ আছে।   মেঘ অবাক হয়ে ভাবলো,, হাইরে প্রেস্টিজ,, যেই প্রেস্টিজ নিজের বিয়ে করা বউকে একসাথে কোথাও নিয়ে যেতে আটকায় সেই প্রেস্টিজ দিয়ে কি করে মানুষ! কি হলো! নামুন  মেঘ নেমে গেলো,, আকাশ না দাড়িয়ে ভ্যানুর দিকে গাড়ি অগ্রসর করতে শুরু করলো মেঘ একলা একলা হেটে পৌছে গেলো,, গিয়েই আকাশকে খুজতে লাগলো,, কিন্তু আকাশকে পাচ্ছে না,, অপরিচিত জায়গা,, তার উপর সবাই অপরিচিত কেমন ভয় ভয় লাগছে মেঘের,, সবাই অদ্ভুত লুক নিয়ে তাকিয়ে আছে কারন আমি একা, এইখানে সবাই তার স্ত্রীকে নিয়ে এসেছে,, আর এইখানে একা, কেউ চিনেও না, তাও সবাই অদ্ভুত দৃষ্টি নিক্ষেপ করছে,, আকাশ এইদিকে তার ফ্রেন্ড, ডিল পার্টনারদের সাথে মজে আছে,, সাথে যে মেঘ আছে তার কোন খেয়ালি নেই । এইদিকে মেঘ একা একা এক কোনে গিয়ে বসলো,, খুব কান্না আসছে,, এইভাবে অচেনা জায়গায় একা বসে থাকা যায়,, আকাশকে কখন থেকে ফোন করছে কিন্তু ধরাত কোন নাম গন্ধও নাই,,এইদিকে মেঘকে একা বসে থাকতে দেখে,,


ইক্সিউজমি মিস,,  কেন আউ হেব এ সিট প্লিজ,, মেঘ কথা শুনে তাকিয়ে, একটু হাসার চেষ্টা করে, ইয়াহ, সিউর,ছেলেটাকে দেখতে কেমন যেনো,,, মেঘকে খুব ভালো করে স্কেন করছে,, কালো শাড়িতে বেশ মানিয়েছে,, শরীরের কিছু কিছু অংশ দেখা যাচ্ছে,, মেঘ নড়ে চড়ে ঢেকে বসলো,,, ছেলেটি এরপরো তাকিয়ে আছে,, মেঘের অস্বস্তি হচ্ছিলো,, তাই উঠে যেতে চাইছিলো,, ইক্সিউজমি বলেই চলে যাচ্ছিলো,,, তখনি লুজকটি হাতে ধরে ফেলে,,, কি ব্যাপার এত তাড়া কিসের? আপনি আমার হাত ধরেছেন কেন সাহসে,, আমার অনেক সাহস,, এখন তো সবে হাত ধরেছি, এরপর অনেক কিছি টাচ করবো বেবী মেঘের গা ঘিন ঘিন করে উঠলো,, রাগে দিলো এক চড় বসিয়ে,,, ইউ,,, তোর সাহস কি করে হয় আমার গায়ে হাত তুলার,, ইয় নো? হো আই এম? মেঘ চলে যেতে নিলেই ছেলেটা টেনে নির্জন জায়গায় নিয়ে আসে, মেঘকে হেচকা টেনে মেঘের বুকের সাথে নিজেকে চেপে ধরে,, মেঘের সারা শরীর  ঘেন্নায় কেঁপে উঠে,,, ছাড়েন আমাকে,, ছাড়েন  ছাড়া ছারি এই পিয়াল মাহমুদ করে না,, যাকে ধরি খেয়ে ছেড়ে দিই,, মেঘ ভয়ে ঘামছে আর হাত পা ছুড়াছুড়ি করছে,,কেউ নেই আশেপাশে,, কি হবে মেঘের!! হঠাৎ,,


চলবে,,,


গল্প অভাগী পর্ব: ১১ , bangla love story, bd love story, love story, রোমান্টিক ভালবাসার গল্প

Post a Comment

Previous Post Next Post