গল্প অভাগী পর্ব:১৪
লেখা: তাবাসসুম
ভালোবাসার গল্প। Romantic bangla love story 


গল্প অভাগী পর্ব:১৪, romantic love story,  প্রেম ভালবাসার গল্প


Romantic love story আকাশ মেঘকে নিয়ে 

হসপিটালে গিয়ে দেখে হসপিটালে আন্দোলন চলছে,, ভুল চিকিৎসা করায় এক রোগী মারা গেছে, আজকাল বাংলাদেশে এইটা অহোরহো হচ্ছে,, রোগীর কি হয়েছে তা না দেখেই টাকার জন্য চিকিৎসা শুরু করে দেয়,,,, মারা গেলে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে টাকা আদায় করে নেয় আর ৫/৬ দিন পর উনারা বলে যে মারা গেছে রোগী,, এইটাই বুঝি শিক্ষা!!! এইটাই বুঝি আল্লাহ উনার একটা ক্ষমতা ডাক্তার দের মাঝে দিয়েছে এইসব করার জন্যই!!!!! একটা রোগীকে যখন হাসপাতালে  নিয়ে যাওয়া হয় তখন রোগীর পরিবারের কাছে ডাক্তাররা থাকে ঐ জোলপরীর মতন যে এসে বলবে আপনাদের রোগী সুস্থ্য হয়্র গেছে,, কিন্তু ডাক্তার রা কি করে,, দর্জালদের মত ব্যবহাফ করে,, এইটাই কি মনোষত্ত্ব! আকাশ মেঘকে  কোলে  করে নিয়ে বাহিরে  দাড়িয়ে আছে,, এক ৬ বছরের বাচ্চা ভুল চিকিৎসায় মারা গেছে তাই সব হসপিটালে আন্দোলন চলছে,, কিছু ভুলের কারনে কষ্ট পায় নিস্পাপ   কিছু জীবন,


প্রেমের গল্প মেঘ এই মেঘ কথা বলো, মেঘের কোন সেন্স নেই। আকাশ তার বাসায় ফোন করে জানিয়েছে যেনো আসমা বেগম তাড়াতাড়ি চলে আসে। আকাশ ডাক্তারদের সাথেও কথা বলে কিছু করতে পারছে না কারন লোকেরা ভাঙচুর করবে তাই, আকাশ কোন দিশা খুজে পাচ্ছে না,, এইদিকে মেঘের অবস্থা খারাপের দিকেই যাচ্ছে কারন মেঘকে হসপিটালে নিয়ে আসা হয়েছে সকালে,, আর এখন অনেকটা বেলা গড়িয়ে গেছে ,, এতক্ষনেও ওর চিকিৎসা শুরু হয় নি, আকাশ আর কিছু না পেয়ে,, সবার সামনে চলে যায়,, যেইখানে মানুষ অনোশন করছে,, আপনাদের কিছু কথা বলার জন্য আমি আসলাম,,, প্লিজ আগে শুনেন কথা। দেখেন ডাক্তাররা ভুল করে যেমন তেমন আমাদের জীবন বাচাতেও ওনাদের হাত লাগে,, আমরা সাধারন মানুষ আমরা কারো রোগের কোন কিছুই করতে পারি না সেই ডাক্তারদের কাছেই আমাদের আসরে হয়,, ঐ খানে আমার স্ত্রী মৃত্যু শয্যায়,, আপনাদের এই আন্দোলনের জন্য আমার নির্দোষ স্ত্রী কষ্ট পাচ্ছে প্লিজ আপনারা  ডাক্তারদের কাজ করতে দেন,, প্লিজ,, নইত ও মারা যাবে,, প্লিজ ( দুই হাত জোড় করে)  


ভালবাসার গল্প এইদিকে আসমা বেগম এসে পড়েছে, মেঘ!! ( কান্না করে দেয় দেখেই) 

এই কি অবস্থা হয়েছে তোর,, আল্লাহ, আমার মেয়েটাকে কেনো এত কষ্টের মাঝে ফেললে! আল্লাহ,, আকাশের কথায় কাজ হয়,,, ওরা হসপিটালের তালা খুলে দেয়,, ডাক্তার রা দৌড়ে স্ট্রেচারে করে মেঘকে নিয়ে যায় ,, আসমা বেগম আর দিবা,, কাদতে কাদতে চললো,, ম্যাম আপনারা সব ফরমালিটিস পূরন করেন,, আমরা ট্রিটমেন্ট শুরু করতে পারবো তাহলেই, আকাশ যাচ্ছিলো, থাক আকাশ তোর কষ্ট করতে হবে না,,, আমি আমার মেয়ের দায়িত্ত্ব নিতে পারবো,, এইটুকু করেছিস তাই অনেক,, আসমা বেগম চলে গেলো,, সব ফর্মালিটি করে নিলো,,, রিলেশান এর জায়গায় উনি মেয়ে লিখেছেন। ডাক্তার ঢুকে গেলো অটি তে,, দিবা আর আসমা বেগম আল্লাহকে ডাকছে  


bd love story ২ ঘন্টা পর ডাক্তার বের হলো ,, ডাক্তার আমার মেয়ে,, আকাশো আসলো,, আসলে উনাকে অনেক মারা হয়েছে,,, আর পায়ে অনেক স্ট্রেস পড়েছিলো   আগেই তার উপর শক্ত জাতীয়  কিছু দিয়ে উনাকে,,, ডাক্তার থেমে গেলো. আসমা বেগম চমকে গেলো,, উনার পায়ের লিগামেন্ট ছিড়ে গেছে,, মাস খানিক লাগবে সারতে,, কোমড়ে অনেকক ব্যাথা পাওয়ার কারনে কোমড়ের ব্যাথা টা থেকেই যাবে,, আস্তে আস্তে সারবে,, আর ভারী কিছু তুলতে পারবে না,, ভারী কিছু তুললে কোমড়ে চাপ পড়বে হিতে বিপরীত হতে পারে,,,,একটু পর উনাকে বেডে দেওয়া হবে,, তখন দেখা করতে পারবেন,, আসমা বেগম আকাশকে টেনে একসাইডে নিয়ে গেলো। কি হয়েছে মেঘের?আকাশ মাথা নিচু করে আছে । বল কি হয়েছে মেঘের?? কি করেছিস? আসলে মা,, রাগের মাথায় ওকে ব্যাল্ট দিয়ে আমি,,সসসসসস আকাশ গালে হাত দিয়ে তাকিয়ে আছে। আমি জানতাম আমার ছেলে শুধু একটা, ভুল বুঝার কারনে মেয়েদের একটু ভুল বুঝে  আছে কিন্তু আমার ছেলে আমানুষ  না,, এইটা আমার বিশ্বাস ছিলো , আমি ভেবেছিলাম আমার ছেলে সত্ত্য ভালোবাসা পেলে   হইতো ঠিক হয়ে যাবে কিন্তু আমি ভুল ছিলাম,, আমার ছেলে আসল ভালোবাসাটা বুঝলো না,,সে তার ইগোকেই প্রাধান্য দিলো ,,,, তোর আর আমার মেয়ের ঝামেলা বইতে হবে না,, ওকে আমি দেখে রাখবো,, তুই চাইলে চলে যেতে পারিস,, এতটুকু কষ্ট করার জন্য ধন্যবাদ,,, ( কাঁদতে কাঁদতে চলে গেলো) মা, মা,, আর শুনলো না,,,


চলবে,,,,,

Post a Comment

Previous Post Next Post