গল্প অভাগী  পর্ব:১৫  
লেখা : তাবাসসুম
bd love story 


ইয়াহ,, মি. রয়,,,,  ------ আই হোপ এবরিথিং উইল বি পারপফেক্ট,,, ইয়াহ,,, ডিলটা ফাইনাল হয়েছে,, ------ওকে,, বাই,,, আকাশ এতক্ষন কথা বলছিলো ফোনে,,, মিস,, নয়োনা( আকাশের পি. এ),,, কাম টু মাই কেবিন। আমি এখন বের হচ্ছি,,, বাকি কাজ গুলি আপনি দেখে নিয়েন। ওকে, স্যার। আকাশ বেরিয়ে গেলো।  আজ একবার মেঘকে দেখতে যাবো,, ভাবীর কাছ থেকে শুনেছি আজ মা বাসায় গিয়েছে রেস্ট নিতে,, মেঘ একা আছে আজ,,, আজ দেখতে যাবো   ওকে,, মাতো দেখতে দিতো না আমাকে,, একটা বড় শ্বাস নিয়ে। আজ নিয়ে ৬ দিন হয়েছে মেঘ হসপিটালে। মেঘ উপরের দিকে তাকিয়ে শুয়ে আছে,,, মেঘ ঐদিন অনেকক ভয় পেয়েছিলো, আকাশকে দেখলে ভয়ে কুকড়ে যায়, তাই মেঘের কাছে তার শ্বাশুড়ি আকাশকে আসতে দিতো না।  মেঘকে নার্স তার মেডিসন দিচ্ছে আর,, ডাইট চার্ট চেক করছে। মেঘ আগের মতই তাকিয়ে আছে  উপরের দিকে,, আর চোখ দিয়ে উপচে পানি পড়ছে,, এই পানি হইত তার এই একাকিত্ত্বের,,,

bangla love story


হঠাৎ নার্সটা চলে গেলো বাহিরে,,, মেঘ চোখ বুলাচ্ছিলো চারদিকে,, তখনি হঠাৎ খেয়াল করলো,, আকাশ ঢুকছে রুমে। মেঘ,,,,, ছটফট করতে লাগলো,,, কেমন যেনো করতে শুরু করলো। আকাশ,,, মেঘ মেঘ প্লিজ শান্ত  হও,, প্লিজ এক্সাইটেড হইয়ো না,, তুমার ক্ষতি হবে,, আমি শুধু একবার দেখে চলে  যাবো,, প্লিজ মেঘ শান্ত হ। মেঘ হাসফাস করছে। আ প নি,, আ মা কে মা র বে ন না আর প্লি প্লি জ,, আর মা ই রে ন না ( ভয়ে গলা আটকে আসছে) ।  না না মেঘ আমি আর মারবো না, প্লিজ শান্ত হও। আ মি আ র, আ প নার  কা ছে যা বো না,, প্লি জ মাই রেন না। আকাশের খুব মায়া হলো,, কি ভয়টাই না পেয়েছে মেয়েটা,,,

romantic love story


নার্স,,, এ কি,, কি হয়েছে,, স্যার আপনি এসেছেন আবার,, আপনি আসলে উনি অসুস্থ্য হয়ে যায় বেশি ,, প্লিজ স্যার আপনি চলে যান

নার্স মেঘকে শান্ত করার চেষ্টা করছে,,, কিন্তু পারছে না,,, না পেরে ডাক্তারকে ডাকলো। ডাক্তার,, একি মি.  আকাশ আপনি!!!

নার্স। নার্স,, ইঞ্জেকশান হাতে দিলো। কি করছেন ডাক্তার,, ওকে ইঞ্জেকশান দিচ্ছেন কেনো? উনাকে শান্ত করতে না পারলে প্রবলেম হয়ে যাবে তাই ঘুমের ইঞ্জেকশান দিচ্ছি শুধু,, আর প্লিজ আপনি একটু বাহিরে যান,,, মেঘ উঠে পড়তে চাইছে,, ছটফট করছে ,, দুইজন নার্স ধরে রেখেছে   ,,, ডাক্তার ইঞ্জেকশান পোষ করে দিলো,,, কয়েক মিনিটের মাঝে মেঘ নেতিয়ে পড়লো,, আকাশ বাহিরে গিয়ে দাড়িয়ে আছে,,, ডাক্তার বের হতেই,, ডাক্তার,,, মেঘ এমন করিছিলো কেনো? উনি ট্রমায় চলে গেল। সাধারনত অনেক ভয় পেলে এটা হয়,, উনি ঐ দিন অনেক ভয় পেয়েছিলেন যার কারনে এমন হচ্ছে,, আর ভয়েটা ও আপনাকেই পায়,, কেনো পায় তা হইত আপনি বুঝতেই পারছেন,, বলেই ডাক্তার চলে গেলো,, আকাশ উদাসিন ভাবে হাঁটতে হাঁটতে বাহিরে চলে গেলো,, ভাবতে লাগলো কি কি করেছে মেঘের সাথে,,, অনেক অন্যায় করে ফেলেছি মেয়েটার সাথে আমি,, জানি না কি হয় আমার ওকে দেখলেই ,,, ভাবতে ভাবতে চলে গেলো আকাশ

ভালবাসার গল্প


৯ দিন পর মেঘ বাড়ি ফিরছে,, আজি ডিসচার্জ করেছে।  ওরা বাসায় চলে এলো,, দিবা তুই ধর ওকে ,, তারপর ওকে হুয়িল চেয়ারে বসিয়ে দিচ্ছি,, তখনি আকাশ এসে বলে উঠলো,, মা আমি দিয়ে আসি মেঘকে ঘড়ে,,, মেঘ দেখেই চোখ বড় বড় করে ফেললো,, দ্রুত শ্বাস নিচ্ছে,, দিবার হাত চেপে ধরলো,,, কিরে মা,, তোর খারাপ লাগছে? কোথায় কষ্ট হচ্ছে ( উত্তেজিত হয়ে) আকাশ,, আমি ( আর বলতে দেয় না) আসমা বেগম হাত দিয়ে বাধা দিয়ে বলে উঠে,,,,, থাক তুমাকে কষ্ট করতে হবে না,, আমরাই পারবো,,,, দিবা চলো,, বলেই ঘড়ে নিয়ে চলে গেলো,, মেঘকে নিচের ঘড়ে সিফট করলো,,, আকাশের রুমে দেয় নি আসমা বেগম,,, নিচের ঘড়ে মেঘের সব জিনিস নিয়ে গুছিয়ে রেখেছে,, মেঘকে এনে    শুইয়ে দিলো,,, আকাশকে দেখে উত্তেজিত হওয়ায় নার্স ঘুমের ঔষধ খাইয়ে দিলো,,  আকাশ ঘড়ে ঢুকে মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে,,, আকাশ স্টপ,, স্টপ আকাশ,, কিসব করছিস,, কিসব ভাবছিস,, একটা মেয়েকে নিয়ে ভাবছিস? কেনো??? কি হয়েছে তোর!!! তুই কি ঐ মেয়েটার উপর দূর্বল হয়ে যাচ্ছিস!!! না না ধুর কি সব ভাবছি ( আকাশ নিজের মনে  মনে এতক্ষন এইসব ভাবচছিলো)   এই একটা মেয়েকে নিয়ে আকাস খান ভাবতে পারে না,, হাজার হাজার মেয়ে এই আকাশ খানের পিছন ঘুড়ে,, বলেই আকাশ ওয়াস রুমে ঢুকে যায়,,

রোমান্টিক ভালবাসার গল্প


দশ মিনিটে আকাশ বের হয়। হালকা এস কালারের একটা সুট পরে,, নিচে সাদা টি সার্ট,, হাতে ব্রেন্ডেড ঘড়ি,,, পকেটে ভাজ করে ডিজাইনার রুমাল হালকা বের করে রেখেছে,,, তার পাশে মুক্তর ব্রোজ পড়ে নিলো,, চুলে জেল দিয়ে, হালকা ব্রাস করে নিলো,,, চোখে সান গ্লাস পড়ে বেরিয়ে পড়লো,, আসমা বেগম ডাইনিং এ কাজ করছিলো,, দিবাই ঐ খানেই ছিলো,,, সবাই হা করে তাকিয়ে আছে সিড়ির দিকে,,, আকাশ সোটের হাতের দিকটি ঠিক করতে করতে নিচে নামছে,,, দিবা,,, মা!!আসমা বেগম  😫😫 আকাশ তাদেরকে কাটিয়ে চলে গেলো,,, স্টাইল মেরে


চলবে,,,,,,

Post a Comment

Previous Post Next Post