ওর সাথে আমরা দুজনে প্রেম করি | bd love story
ডিভোর্সি বউ
 লেখক সোহেল মাহমুদ 
পর্ব ৬

ডিভোর্সি বউ। রোমান্টিক ভালবাসার গল্প। পর্ব ৬


নীলিমা এবং তার চাচাতো ভাই নাহিদ যেই রাস্তা পার হচ্ছিল তখন হঠাৎ একটা ট্রাক দ্রুত বেগে ছুটে আসে। তা দেখি নীলিমা থমকে দাঁড়ায় এবং পিছু হটে।  দুজনেই খুব ভয় পেয়েছিল তারা যদি খেয়াল না করতে হতো ট্রাকটা তাদের উপর দিয়ে যেত। তারা ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে আজকে তাদের জীবনের শেষদিন ইতি টানতো। ডিভোর্স বউ


তারা দুজনে দাঁড়িয়ে বুকে ফু দিল। যদিও তারা ভয় পেয়েছিল নীলিমা বলল যে কেন ট্রাকটা আমাকে চাপা দিয়ে চলে গেল না। ট্রাকটা যদি আমাকে চাপা দিয়ে চলে যেত তাহলে তো অনেক ভালো হতো।


তখন নাহিদ বলতো তুমি মরতে চাও বল আমাকে কেন সাথে নিয়ে টানছো আমি মরতে চাই না। তুমি যদি মরতে চাও তাহলে একাই মরণ আমাদেরকে সাথে টানি ও না।


কথাটা শুনে নীলিমার বড্ড হাসি পায় । 

সে তখন হাসতে থাকে আর বলে আমি মরলে দেখছি সবাই খুশি। সাথে তুই এত খুশি। আমি মরলে তুই তো দেখিস অবশ্যই খুশি হবি। আমার সাথেই আছিসস আর আমার মরণ কামনা করছে। আমি মরলে কোথায় বাঁধা দিবি সেটা না করে বরং উল্টো বলছিস মরলে মরে যেতে। তুই আমার শত্রু চেয়েও বড় শত্রু। 

bd love story


আমি শত্রু না। তুই আমাকে মরার কথা বলছিস কেন? তোকে যদি এখন ট্রাকটা চাপা দিতে হয় তাহলে তো আমি মরে যেতাম। আমি তো মরতে চাই না এজন্যই বলছি। তুই একা যদি আসতে তাহলে তো আমি আর কিছু হতো না। তুই একাই মরতে। 


তারপর নীলিমা কলেজগেটে তার বান্ধবী অহনা আর সিমার সাথে কথা বলল। নতুন বিয়ে হওয়ার কথা তাই সে কলেজে ঢুকলো না। শুধু অহনা আর সিমাকে ডেকে আনল কলেজগেটে। সেখান থেকে তাদের নিয়ে তার ছোট্ট একটা কাজ ছিল সেটা সেরে আসলো।


তারপর তারা চারজনে মিলে ঝাল মুড়ি খেতে লাগলো।  তখন সিমা বলল কিরে ঝাল মুড়িতে হবে না। এখন তো দুলাভাই খাওয়াবে।


 দুলাভাই পেলি কোথায় এখানে তো কেউ নেই। নেই তো কি হয়েছে ফোন করলে তো আমাদের জন্য চলে আসবে। আমার বয়ে গেছে তো ফোন করতে।


 ঠিক আছে ফোন করতে হবে না।  যখন করবে তখন টাকা নিয়ে নিবি  এখন আমাদেরকে ভালো কিছু খাবা। ঝাল মুড়ি দিয়ে আমাদের হবে না। আমাদেরকে ভালো কিছু খাওয়াতে হবে।


জি না পারবো না। আপনাদের যদি শখ থাকে তাহলে আপনারা তাকে ফোন দিয়ে তার কাছ থেকে এনে খান। আমি তার কাছ থেকে চাইতে পারবনা। তোদেরকে খাওয়াতে পারব না। আমার কাছে এই মুহূর্তে অত টাকা নেই। ডিভোর্স বউ


ঝাল মুড়ি খেয়ে তারা কলেজ গেটের পাশেই একটা জায়গা আছে বসার জন্য সেখানে গেলে। চারজনে সেখানে বসে আড্ডা দিতে থাকলো।


তখন অহনা বলল সবাই সবকিছু পায়।  পেয়ে গেল রীতিমত প্রেমটা শুরু হয়েছে হয়তো। সবাই ডুবে ডুবে জল খাচ্ছে।

 সময়ের সাথে সবাই জানে না আমরাও না।


জানবে নাতো জানবে না এটা তো শুধু তার। এই পুকুর সে যেভাবে খুশি সেভাবে খাচ্ছে। কিভাবে তোমরা জানবে।

জি না আমি ডুবে ডুবে পানি খাচ্ছি না আমি সাঁতার জানি। ওকে আর তোরা যা ভাবছিস আমি সেরকম কিছুই করছি না। মাথায় ঢুকলো তোদের।


হয়েছে হয়েছে আর বোঝাতে হবে না। তো আজ কি নাহিদ প্রেম সঙ্গ নাকি?


আরে না কি আবোল তাবোল বলছিস। একা বের হতে দেবে না। তাই নাহিদকে নিয়ে আসলাম তোমাদের মাথায় ও নাকি সব আজেবাজে ঢুকে।


তখন নাহিদ লজ্জায় লাল হয়ে গেল। রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প


 এই অবস্থা দেখে অহনা সিমাকে নিয়ে টান দিল। আর বলছে তোর যখন হয়না তখন ওর সাথে আমরা দুজনে প্রেম করি। এই নাহিদ চলবে তোমাদের দুজনকে। হাহাহাহাহা


ওরে না না আমি তোমাদের দুজন তো দূরে একজনকে তো সামলাতে পারব না। আবার দুজন! তোমরা আমার থেকে বড় হবে। হবে না আমাকে দিয়ে। তোমরা যা জিনিস তোমাদেরকে সামলানো! করে এটা তো রীতিমতো হাতি সামলানো। হাতি না মোটামুটি কি বলা হয়ে থাকে এখন মাথায় আসছে না যখন মাথায় তখন বলে দেবো।


কেন কেন আমাদের দুজনকে কি তোমার পছন্দ হয় না। নাকি আমরা তোমার সাথে প্রেম করতে পারবোনা। 

bd love story


এ কথা না। তোমরা চাইলে তো দশ জনের সাথে করতে পারো। আর আমি তো একা তাও এরকম।  আমার সাথে করা টা কোন ব্যাপার না। কিন্তু আমি তোমাদেরকে পারবোনা।

হাহাহাহাহা


সবার মাঝে হাসি বইছে।


কেন কেন পারবা না। কেন তুমি কি পুরুষ না নাকি তোমার কিছু নেই। আছে তো নাকি সব সাফাই করে দিয়েছো। ডিভোর্স বউ


সব ঠিকঠাক আছে তো আপনাদের জন্য উন্মুক্ত না।


হাহাহাহাহা  bangla love story


কার জন্য উন্মুক্ত করে রেখেছে এবং কার জন্য এখানে নিয়ে এসেছো?


আপাতত কারো জন্য উন্মুক্ত করে দেয় নি। যখন সময় হবে তখন অবশ্যই মুক্ত করে দিব। আর এখানে কারো জন্য নিয়ে আসে নি জাস্ট সাথে করে নিয়ে এসেছি।


সাবধানে রেখো না হলে তো কখন আবার চিন্তাই করে নিয়ে যায় বলা তো যায় না। তুমি তো আমাদের সাথে প্রেম করতে চাচ্ছ না। হয়তো এরকম কেউ যদি অফার দেয় তখন যদি থাকে না করো তখন তো সে আমাদের মতো ভদ্র হবে না। সে তোমারটা ছিনিয়ে নিয়ে চলে যাবে। রাখতে পারবা ততক্ষণ।


হাহাহাহাহা


আপনারা তো প্রেমের অপর দিচ্ছেন না। আপনারা তো অনেক করার উপর দিচ্ছেন। আর খাওয়ার অফার দিচ্ছেন। রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প


ওমা তুমি তো দেখি এটাও বুঝ। তুমি তো অনেক বড় হয়ে গিয়েছ। এতই যখন বড় হবে তখন আমাদের দুজনকে একসাথে চালাও না।


আমি বড় হয়েছি ঠিক আছে তবে আপনাদের মত জিনিস চালানোর মত বড় হয়নি এখনো।


আগে ওরকম বড় হয়নি তখন না হয় দেখা যাবে।  bangla love story


হ্যাঁ তোরা আমার ভাইটাকে নিয়ে কি শুরু করলি! বেচারা দেখছিস না লজ্জায় মাথা ঠিকমত তুলছে না। তবুও তোরা তাকে রীতিমত লজ্জা দিচ্ছিস। কেন যে এমন করিস আমার ভাইটাকে।


আহারে তোমার সোনা ভাইটা! কেমন লজ্জায় লাল হয়ে গেছে দিব নাকি,,,


না না লাগবেনা আমার ভাইটাকে নিয়ে তোমরা অনেক কিছু করেছো আর কিছু করতে হবে না। ছেড়ে দে বেচারাকে আজকের জন্য। নাহলে পরে আবার কোনদিন আমার সাথে আসতে চাইবে না। তখন আমি তো একা আসতে পারবো না। আর তোমরা বেচারাকে কিভাবে বেঁধে দিতে পারবে না।



হাহাহাহা


কি আর করবো বলো। তুমি ঝাল মুড়ি খাওয়ালে আর তোর ভাই তো তাও দিল না। তোর ভাই আমাদেরকে কিছুই খাওয়াল না। তুই এমন একটা বিয়ের সময় আমাদেরকে সেই পাঁচ টাকা ঝাল মুড়ি দিয়ে জেরে ফেললি।


৫ টাকার ঝালমুড়ি কিন্তু অনেক কিছু। পাঁচ টাকার ঝাল মুড়ি খেলে অনেক পেট ভরে যেতে পারে। তো আপনাদের মত কেউ যদি হয় তাহলে আর না।


তাহলে তো চলে তুমি যেমন তোমার বোনটাও তেমন। দুজনেই সেইম ক্যাটাগরি। 

হাহাহাহা


তোরা আমার ভাইটাকে নিয়ে এমন করছিস কেন? তোদেরকে তো আমি ঝাল মুড়ি খাওয়াইলাম।


ওমা ভাইটার জন্য দেখছি অনেক দরদ। রোমান্টিক ভালোবাসার গল্প


হ্যাঁ হ্যাঁ আমার ভাইকে নিয়ে এমন করতে হবেনা। আপনারা অনেক করেছেন।


তখনই নীলিমার মনে পড়লো...


চলবে,,,,


আগের পর্ব না দেখে থাকতে এই লিঙ্কে গিয়ে দেখে নিন।


আর পরবর্তী পর্ব এবং প্রতিদিন ভালোবাসার সুন্দর সুন্দর গল্প কথা পেতে bdlovestory.com এ আসবেন।


Post a Comment

Previous Post Next Post