ডিভোর্সি বউ
পর্ব ১০  Bangla love story

লেখক সোহেল মাহমুদ


ডিভোর্সি বউ - পর্ব ৯ - bd love story


পরদিন নীলিমার কাজিনকে দেখতে আসে। সিমা নীলিমাদের বাসায় আসলো। এসে শুনতে পেলে নীলিমার কাজিন কে দেখতে আসছে। তো নীলিমা সেই বাসায় যাবে। এবং নীলিমাকেও যেতে বলল। যদিও নীলিমার যেতে চাইছিল না তবুও নীলিমা, নীলিমার মা ওকে ওখানে পাঠাচ্ছে যাতে করে নীলিমা একটু সবার মাঝে থাকে একটু মনটা ফ্রেশ থাকে। ডিভোর্সি বউ

সিমা ওর সাথে নীলিমাকে বলল চল। ওদের বাসায় যাই। সিমা প্রথমে যেতে চাইনি কিন্তু নীলিমার মা সাথে যাওয়ার জন্য সিমাকে বলল যাও মা।

সিমা, নীলিমা এবং অন্যান্যরা নীলিমার কাজিনের বাসায় মজা করছে, আনন্দ করছে।

খুব ভালোই কাটতেছে এই বাসায়। নীলিমার সবার সাথে গল্প আড্ডা মাস্তি করে এতদিন বাসায় ছিল খুবই বোর হয়ে গেছিল কিন্তু এখানে আসার পর এখানে বলতে বাসায় তো বাড়িতে সবার সাথে একসাথে মেলামেশা ভালোই লাগছে। ভালোই কাটছে হই-হুল্লোড়ের মাঝে।

সিমা এবং অন্যান্যরা বরপক্ষের কে নিয়ে অনেক হাসাহাসি করছিল। এবং তাদের সাথে একটা মাল ওয়ালা ছিল ওটা নিয়ে তারা ভীষণ মজা করছিল। আর তাদের নিয়ে খুব মজার হয়েছিল। বরপক্ষের সাথে একটা লোক ছিল। ডিভোর্সি বউ

টাক আর কি মানে একেবারেই ছাদে কিছু নেই। নীলিমা ওর কাজিন কে বলল যে তুই যদি ওই বাসায় যাস কখনো যদি তোর মরিচ বাটা প্রয়োজন হয় বা হলুদ বাটো মেহেদী বাটো প্রয়োজন হয় তাহলে তোর আর পাটা পুতা লাগবেনা। তুই ওগুলো তার মাথায় বাটতে পারবি। বুঝতে পারলি।

তোদের অনেক টাকা বেঁচে যাবে ওইটা খেলারমাঠে অনেক কিছু করতে পারবি।

হাহাহা

তারপরে আরো আছে যখন কোন চুলাতে আগুন ধরাতে যাবি তখন ম্যাচ নিয়ে তার মাথায় ঘষা দিলে ওখানে আগুন ধরে উঠবে
এরকম অনেক সুযোগ-সুবিধা পাবে ওই বাসায় গেলে।

এগুলো শুনে সবাই হাসতে হাসতে পেট ব্যথা করে ফেলল। নীলিমা তো গত কয়েকদিনের যতনা সে কষ্ট পেয়েছে তার সবগুলোই এখানে অনেক বেশি আনন্দ পেয়েছে। সবাই মিলে হৈ হুল্লোড় করল তারপরে বাসায় ফিরে আসলো।

ডিভোর্সি বউ - পর্ব ৯ পড়ুন

কিন্তু বাসায় ফিরে আসার পর তার মনটা আবার সেই আগের মত হয়ে গেল। কারণ আগামী সপ্তাহে তার কাবিন হবে।

বাসায় আসার পর দেখল যে তার বাবা-মা বাড়িতে যারা আছে তারা এগুলো নিয়ে আলোচনা করছে। আর কি যা আগামী সপ্তাহে তো কাবিন হবে কিভাবে কি করা যায় কিভাবে কি করা যায়। কা কে বলা যায়। কাবিনে তো  অনেক বেশি লোক থাকবে না তারপরও যে কয়জন থাকে তারা কাকে বলবে না কিভাবে কি করা যায় সেগুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। নীলিমা সেগুলো শোনার পর আবারও মনটা খারাপ হয়ে যায়। তার রুমের দরজা আটকে বসে বসে থাকে।

তো কাবিনের দিন যত ঘনিয়ে আসে তার ততই খারাপ হয়। পরদিন থেকেই নীলিমা আরো বেশি মন খারাপ হয়ে যায় সে আরও বেশি কাঁদতে থাকে। তার রুম থেকে বের হতে চায় না। কেউ আসলো সেগুলোতে সাড়া দেয় না। খাবার খেতে চায় না। এমনকি তার মায়ের সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে।

কারো কথায় কোন তেমন একটা জবাব দিচ্ছে না। সারাক্ষণ তার চোখের জল লেগে থাকে
বাড়ির সবাই বুঝতে পারে। তবু কেউ কিছু বলতে পারছে না। সবাই তাকে বুঝাচ্ছে কিন্তু সে বুঝতে চাচ্ছে না। সে সারাক্ষণ কাঁদতে থাকে। আবার ও তেমন একটা খাই না জোর করে খাওয়ানো লাগে। আর সবার সাথে কথা তেমন বলে না। বাট তার মায়ের সাথে তো টোটালি বন্ধ করে দিল। bd love story

কেননা তার অনেক বেশি রাগ ছিল তার মার প্রতি। তার মা বিয়েটা বন্ধ করতে পারত। তার বাবাকে যদি বলত, বাবা কথা দেবার আগে যদি সে তার বাবাকে বলতো তাহলে তার মার কথা অনুযায়ী বা পরামর্শ ক্রমে তার বাবা ওয়াদা দিত না। এবং নীলিমার বিয়েটা ঠিক হতো না। তো এজন্য নীলিমা তার মাকে এই বিয়ের জন্য দায়ী করছেন। এজন্য তার রাগটা বেশি তার মায়ের উপর। যে কারণে সে তার মায়ের সাথে কথা বলা টোটালি বন্ধ করে দিয়েছে।

যদিও তার মা তাকে বুঝাচ্ছে। তার সাথে কথা বলতে চাইছে কিন্তু কোনভাবে তাকে কনভিন্স করাতে পারছে না।


গার্লফ্রেন্ড বিহীন  ২০২০ - ভালবাসা নিয়ে বাস্তব কিছু কথা


দিন দিন এক সপ্তার মধ্যে আরকি দিন দিন তো কান্নাটা এবং মন খারাপটা বেশি বেশি করছে। তো এটা নিয়ে কেউ কেউ হাসাহাসি করছে। কেউ কেউ নিজের কান্না পাচ্ছে যে একটা মেয়ে বিয়ে তো পরে কিন্তু কাবিনের সময়ই একটা মেয়ে যে এত কান্না করতে পারে। এতটা মন খারাপ হতে পারে। এতটা রাগ করতে পারে সেটা মনে হয় প্রথম।

কেউ কেউ বলছে ঢংয়ে আর বাচিনা কাবিন হবে এটার জন্য এত কাদাকাদি। বিয়ের দিন কি করবে জাস্ট কাবিন হবে এখন এটার জন্য সে একেবারে বাড়ি মাথায় তুলছে। এটা কেমন ছেলে খেলা ছেলেমানুষি।

আবার কেউ বলছেন মেয়েটার জন্য খুব মায়া হয়। মেয়েটা সারাক্ষণ কাঁদছে। মায়ের সাথে কথা বলছে না। তার সাথে তেমন একটা মিশছে না। সারাক্ষণ ঘরে বসে থাকছে। আসলেই মেয়েটা কেমন যেন হয়ে গেল। কিভাবে যে কি করবে মেয়েটা। মেয়েটার জন্য খুবই কেমন জানি করে। ডিভোর্সি বউ

দিন দিন যতই দিন ঘনিয়ে আসে ততই তার কান্না এবং মনের অবস্থা খারাপ হতে থাকে। সে হতাশ হতে থাকে। সে কাউকে বুঝাতে পারেনা তার মনের অবস্থাটা কেমন।

আগামীকাল নীলিমার কাবিন,,,

চলবে।।।।।

আগের পর্ব এখান থেকে পড়ে নেন।

পরের পর্ব পড়তে bdlovestory.com এর সাথে থাকুন।

Post a Comment

Previous Post Next Post