আজ নীলিমার বিয়ে
গল্প ডিভোর্সি বউ
লেখক সোহেল মাহমুদ
পর্ব ১১  Bd love story 


ডিভোর্সি বউ - পর্ব ১১ - Bangla love story

আজ নীলিমার বিয়ে। তবে এটাকে অনেকে কাবিনও বলে। কারন বিয়ে আর কাবিনে কিছুটা তফাত থাকতে পারে। bd love story

আজ নীলিমার বিয়ে তবে তাকে উঠিয়ে নেবে এক বছর পর। এক বছর সময় দেওয়া হল তার পড়ালেখার জন্য। তার সামনে ফাইনাল পরীক্ষা। তার পড়ালেখার প্রতি অগাধ ইচ্ছায় এজন্য দুই পরিবারের অনুমতি সাপেক্ষে পরামর্শক্রমে তার পরীক্ষা পর্যন্ত তাকে বাড়িতে রাখা হবে। এবং পরীক্ষার পরে তাকে শ্বশুরবাড়িতে উঠিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু আপাতত কাবিন বিয়েটা করে রাখতে যাচ্ছে। সবাই যাতে পরবর্তীতে কোন সমস্যার সম্মুখীন না হতে হয়। ডিভোর্সি বউ 

যেহেতু তাকে উঠিয়ে নেবে না সেহেতু ওরকম ভাবে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন করা হয়নি। কোন গেট বা বাড়ি সাজানো হয় নি। অনেক মানুষকে দাওয়াত দেওয়া এগুলো কিছুই করা হয়নি। শুধুমাত্র  পারিবারিকভাবে ছোটখাটো একটি অনুষ্ঠান ঘরোয়াভাবে। এখানে জাস্ট কয়জনকে আনা যারা বাড়ির লোকজন এবং খুব কাছের। আর ছেলে পক্ষ থেকে ছেলেদের যারা খুব কাছের এরকম ৫-৬ জন আসবে এতোটুকুই। 

ডিভোর্সি বউ - পর্ব ১০ পড়ুন

আজ নীলিমার বিয়ে কিন্তু নীলিমা গতকাল রাত থেকেই কাঁদাকাটি এবং খাওয়া-দাওয়া করে দিয়েছে। পুরো বাড়িটাকে মাথায় করে নিচ্ছে। সবাই তাকে বুঝিয়ে বলছে যে এখন তো আর উঠিয়ে দিচ্ছে না। একবছর পরে উঠিয়ে দেবে। যখন তোমার পড়ালেখা শেষ হবে পরীক্ষাটা শেষ হবে। কিন্তু সে নিজেকে সান্ত্বনা দিতে পারছে না। তার মায়া কাটছে না। সে নিজেকে সান্ত্বনা দিতে পারছে না। এ বাড়ি  যেন সে ছাড়তে রাজি না। তাঁর কাছে তো অনেক কষ্ট লাগছে।

সিমা এবং আফরিন আজকে নীলিমাদের বাসায়। আফরিন এবং সিমাকে নীলিমাকে সাজানোর দায়িত্ব দেওয়া হল। বারোটা বেজে গেল এখনো নীলিমা তাদের সাথে থাকছে না। শিখিয়ে দিয়ে যাচ্ছে তাকে কোনোভাবেই সান্তনা দেওয়া যাচ্ছে না। আরফিন এবং সিমা নীলিমাকে খুব জোরা জোরি করছে বুঝাচ্ছে কিন্তু কিছুতেই তাকে সাজাতে পারছে না। এদিকে নীলিমার বাবা এবং মা খুব জোরা জোরি করছেন। টেনশন হচ্ছে তাদের তারা নিজেরাও গেল নীলিমাকে বোঝাতে। যাতে কান্নাকাটি না করে সাজগোজ করে। ভালোবাসার গল্প

সবাই মিলে বোঝানোর পর নীলিমা সাড়ে বারোটা নাগাদ সাজতে রাজি হল এবং সর্বশেষে সাজগোজ করতে শুরু করল। এত সাজগোজ করছে না। তাকে সাজগোজ করে দিচ্ছে সিমা এবং আফরিন ডিভোর্সি বউ 

সাজানো বলতে শুধু শাড়ীটা পরানো এখন হালকা প্রসাধনী । এতে তার জন্য এনাফ এমনিতেই অনেক সময় চলে গেছে।

একটা নাগাদ নীলিমাকে সাজিয়ে গুছিয়ে নিল। রান্নাবান্না ক্লিয়ার হয়ে গেল। রান্নাবান্না বলতে গুরু হয়ে যাওয়া হালকা পাক করা এতোটুকুই।  নাস্তা পানি হালকা খাবার দাবার এতটুকু। একটা নাগাদ নীলিমাকে সাজিয়ে গুছিয়ে রেডি করে বসিয়ে রাখা হলো এবং সবাই তখন একটু খুশি হয়ে গেল নীলিমা সাজে সেজে নিল যে সে জন্য।

কে তোমাকে কষ্ট দিবে? Bd love story পড়ুন

তারপর তারা ওয়েট করতে থাকলো ছেলেপক্ষ কখন আসবে এবং কাজী কখন আসবে। এখন শুধু ছেলে পক্ষ এবং কাজী আসার অপক্ষে। কেননা কাজী আসলে ছেলে পক্ষ আসলে বিয়েটা সেরে ফেলা যায়। তাহলে আরেকটু মনের শান্তি আসবে সবাই একটু নিশ্চয়তা আসবে। যদিও নীলিমা সেজে নিয়েছে তখনও নীলিমার চোখ ছলছল করছে পানিতে। তার মনটা এখন অনেকটা ভালো নেই।  যাই হোক ডিভোর্সি বউ 

একটু পর ছেলে পক্ষ এবং কাজী চলে আসল। কাজী এবং ছেলে পক্ষ আসার পর সবাই মিলে একটু আলাপ বিনিময় করে নিল। তারপর ছেল পক্ষে এবং কাজী তাড়া দিল শুভ কাজটা শুরু করার জন্য। তারপর দুই পক্ষের মুরব্বির কথা অনুযায়ী কাজী শুভ কাজ শুরু করে দিল।


চলবে,,,,


পূর্ববর্তী পর্ব এখান থেকে পড়ে নিতে পারেন।

এবং পরের পর্ব পেতে চোখ রাখুন bdlovestory.com এ।


Post a Comment

Previous Post Next Post