বলো মা কবুল
গল্পের নাম ডিভোর্সি বউ
লেখক সোহেল মাহমুদ
পর্ব ১২


গল্প ডিভোর্সি বউ - পর্ব ১২ - Bangla love story- ভালোবাসার গল্প - Bd love story


প্রথমে কাজী কাগজপত্রে সবকিছু লিখে নিল। তারপর সরোয়ারের কাছে গেল। বলল অমুকের মেয়ে নীলিমাকে এত টাকায় যদি আপনি বিয়ে করতে চান তাহলে বলুন কবুল। গল্প ডিভোর্সি বউ

সরোয়ার দোয়া পড়ে নিল কাজীর সাথে। তারপরে কাজীর কথা অনুযায়ী কবুল বলে দিল অবশ্যই তিনবার কবুল বলতে হয়েছে।

সরোয়ার কাছ থেকে সবকিছু ঠিক করে নিল। এবার কাজী গেলো নীলিমার কাছে সেখানেই হল সবচেয়ে বেশি দেরি।

নীলিমা ঘোমটা দিয়ে আছেন মাথা নিচু করে আছে। এবং তার পাশে তার বান্ধবীরা তার কাজিনরা এবং অন্যান্য মহিলারা আছে।

কাজী নীলিমার কাছে গিয়ে নীলিমাকে বললো অমুক ছেলে সরোয়ারকে এত টাকায় বিয়ে করতে চাইলে বলুন কবুল।

নীলিমা প্রথমত আর কিছু বলছে না মাথা নিচু করে আছে। এবং তার কান্না শোনা যাচ্ছে। তখনও সে সময় সবাই পাশে থাকে টিপ দিচ্ছে নীলিমার হাতে-পায়ে মানে যে যেখানে পারছে আর কি টিপ দিচ্ছে। যাতে নীলিমা  তাড়াতাড়ি করে কবুল বলে দেয়। 

কিন্তু নীলিমা কবুল বলছে না। গল্প ডিভোর্সি বউ

তো তখন কাজী আবার নীলিমাকে বলল অমুকের ছেলে সরোয়ারকে যদি আপনি এত টাকা দেনমোহরে বিয়ে করতে চান তাহলে কবুল বলো। বলোনা কবুল।

পড়তে চাপ দিন ডিভোর্সি বউ - পর্ব ১১

তো নীলিমা কাজীর কথা শুনল কিন্তু সে কোন সাড়া দিচ্ছে না। সে তখনও কেঁদে যাচ্ছে। এবং মাথা তুলছে না ঘুম টা খুলছে না। মাথা উঠাচ্ছে না কান্না রত অবস্থায় আছে। কাউকে কিছু বলছো না।

তখন নীলিমার দাদি বলবো বল কবুল।

তখন সবাই হেসে দিল সবাই বলল মেয়ে কবুল বলছে না মেয়ের দাদি কবুল বলল। বলছে মেয়ের দাদিমার টা দিয়ে সারানো যাবে নাকি! নাকি দাদিকে বিয়ে করিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে!

হাহাহাহা!

তখন কাজী আবারো বললো আপনি যদি অমুকের ছেলে সরোয়ারকে এত টাকা দেনমোহর ধার্য করিয়া এই বিয়েতে সম্মত হন তাহলে বলুন কবুল। বলো মা কবুল।

এবারও নীলিমা কথাটা শুনতে পেল কিন্তু আগের মত হয়েছে। মাথা তুলছে না, কথা বলছে না এবং কবুলও বলছে না কেঁদে যাচ্ছে তখন ওপাশ থেকে অন্যরা তাকে খোঁচা দিচ্ছে এবং টিপ দিচ্ছে যাতে সে তাড়াতাড়ি কবুল বলে দেয়।

তখন পাশ থেকে মেয়ের চাচীরা মামীরা মেয়েকে বলল বল কবুল।

তখন অনুষ্ঠানে আবারও হাসির উপক্রম হলো। সবাই আবারও হা হা করে হেসে দিল। Bangla love story- ভালোবাসার গল্প - Bd love story

সবাই বলতে লাগলো মেয়ের চাচি মামিরা  কবুল বললে হবে! মেয়েকে বলতে হবে! কবুল না বললে তো হবে না। মেয়েকে বলতে বলুন।

তখন সবাই মিলে নীলিমাকে বুঝিয়ে বলল। বুঝাতে লাগলো। বলল আরে সব মেয়েকে বিয়ে করতে হয়। সব মেয়ের বিয়ে করে বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুর বাড়িতে যায়। সব মেয়ে কি কবুল বলতে হয়। এতে লজ্জা নেই ভয় নেই। কোনো লজ্জা পাস না। তাই কবুল বল। তাহলে সবাই খুশি হবে কাজটা হয়ে যাবে। সবাই তার জন্য অপেক্ষা করছে তার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। আর রে কাদাকাটি করার কিছু নেই। সবাইকে একদিন পরের বাড়ি যেতে হয়। আর এখন তো তোকে নিয়ে যাচ্ছে না শুধু অনুষ্ঠানটা। বিয়েটা এটা এখন করিয়ে রেখে দিচ্ছে এত ভয় পাওয়ার কিছু নেই। লজ্জা পাবার কিছু নেই। এখানে যারা আছে সবাই আমরা নিজেরা নিজেরা। এখানে কোন লজ্জা পেতে হবে না। তুই কবুল বল।

সবাই মিলে বুঝিয়ে বলাতে এবং সাহস দেয়াতে নীলিমা প্রথমবারের মতো বলল কবুল। 

পড়তে চাপ দিন পৃথিবীর সবচেয়ে নরম জিনিস - Bangla love story

সবাই খুশি হয়ে গেল। তারপর কাজী বলল আমার বলোনা কবুল।

তখন নীলিমা আবারো চুপ হয়ে গেল। কবুল বলল না। তবুও তখন আবারো সবাই মিলে তাকে সাহস দিলে এবং লজ্জা না করতে বলল এতে করে আবার নীলিমা কবুল বলল। এজন্য মেশিনে তেল দেওয়ার মতো হাওয়া দিলে বলেন না দিলে চুপসে যায়।

তারপর কাজী বললো আরেকবার বলো মা কবুল।

তখন আবার আমার সবাই মিলে নীলিমাকে হাওয়া দিতে লাগল। হাওয়া বলতে বুঝানো সাহস দেয়া আর কি। সাহস পেয়ে বলল শেষবারের মতো নীলিমা আবারো বললো কবুল। গল্প ডিভোর্সি বউ

তারপর

চলবে,,,,


এই লিংকে আগের পর্ব পেয়ে যাবেন।


পরবর্তী পর্ব  bdlovestory.com এ পাবেন।

Post a Comment

Previous Post Next Post