কবুল বলার পর
ভালোবাসার গল্প ডিভোর্সি বউ
লেখক সোহেল মাহমুদ
পর্ব ১৩ - Bd love story


ভালবাসার গল্প ডিভোর্সি বউ - পর্ব ১৩ - bd love story .jpg


বিয়ের কাজ সম্পন্ন করার পর সবাই খাওয়া-দাওয়া করলো। তারপর নীলিমার শাশুড়ি এবং আত্মীয়-স্বজনদের নীলিমাকে বোঝালো। নীলিমার শাশুড়ি নীলিমাকে বলল তোর পড়ালেখাটা শেষ হবে। তারপর আমার বাড়িতে নিয়ে যাব ভয় নেই। ভয় পাবে না। সবাই মিলে ওর সাথে হাসিখুশি থাকো। ভালবাসার গল্প ডিভোর্সি বউ 

তারা চলে গেল সবাই। তখন নীলিমা নীলিমার রুমে চলে গেল। তখন থেকেই নীলিমা আস্তে আস্তে একটু একটু নিজের মনকে শক্ত করতে থাকলো। নিজের মনে একটু ক্ষোভ খুব জেগে উঠলো। সে নিজেকে কন্ট্রোল করতে চাচ্ছেন। নিজেকে শক্ত করতে চাচ্ছে। নিজের মনকে বুঝাতে চাচ্ছেন যে সে তার পরিবার বা তার মায়ের উপরে একটা রাগ উঠছে। এবার সে নিজের রাগকে বজায় রাখতে চাচ্ছে।

যদিও মিলে নীলিমাকে এক বছর সময় দেয়া হয়েছিল ফাইনাল পরীক্ষা পর্যন্ত। ফাইনাল পরীক্ষা হওয়া পর্যন্ত সেই বাড়িতে থাকবে।

গল্প ডিভোর্সি বউ - পর্ব ১২ পড়তে চাপ দিন

এভাবে চলতে থাকে। কয়দিন পরে সরোয়ার তাকে ফোন করল। তো নীলিমাকে কল করায় নীলামা দেখে নাম্বারটা। যেটা থেকে আগেও কল এসেছিল। তো এজন্য নীলিমা নাম্বারটা দেখে চিনে। এবং স্বাভাবিক ভাবে কথা হয়। আর তার কথাগুলো বলছে

হ্যালো আসসালামু আলাইকুম।
অলাইকুম আসসালাম।

তোমার কি অবস্থা? তুমি কি করছো ‌?

হ্যাঁ ভালো। এইতো রুমে বসে আছি। আপনি কেমন আছেন? আপনি কি করছেন?

আমিও রুমে আছি। ভালো আছি আমি। 

খাওয়া-দাওয়া হলো কিনা? ভালবাসার গল্প ডিভোর্সি বউ 

হ্যাঁ আমার খাওয়া-দাওয়া হয়েছে। তোমার খাওয়া দাওয়া হয়েছে?

হ্যাঁ আমার খাওয়া-দাওয়া হয়েছে।

কি দিয়ে খেলে তুমি?

ভালবাসার গল্প ডিভোর্সি বউ - পর্ব ১৩ - Bangla love story - মাছ ডিম।

আপনি কি দিয়ে খাওয়া দাওয়া করলেন?

সেইম

তোমার পড়ালেখার খবর কি? যে পড়ালেভার জন্য এত উদাসিন। সে পড়ালেখা কেমন চলছে?

মোটামুটি চলছে. তবে মনটা হালকা হলে আরো ভাল করতে চেষ্টা করব।
এখন অল্প হচ্ছে।

আমাকে না মনটা হালকা করো। ভালো করার চেষ্টা কর।

ঠিক আছে। রাখছি এখন। ভালো থেকো।

এটা বলে রেখে দিল।

সরোয়ার এভাবেই কথা বলতো। সরোয়ার কলে তেমন বেশি কথা বলতো না। আর সে তেমন কল দিত না। অনেক দিন পর একদিন দিত।

বর্তমানে ছেলে মেয়ের বিয়ে ঠিক হলে তো সারা দিনরাত ছেলে মেয়ে কথা বলে কাটিয়ে দেয়।

Valobasar golpo অথচ নীলিমা আর সরোয়ার সেরকম কথা বলতো না। তারা দিন রাত তো দূরে থাক তারা কয়েক দিন পর পর কথা বলতো তাও মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য।

যদিও তাদের বিয়ে হয়ে গেছে তবুও তারা ঐরকম কথা বলতো না।

সবার সাথে তেমন কথা না বলল না মিলে না, আস্তে আস্তে নিজেকে কঠিন করে নিয়ে সে নিজেকে সান্ত্বনা দিয়ে পড়ালেখা তে একটু একটু করে বসে। পড়ালেভা করতে যাচ্ছে বা করছে।

যদিও নীলিমাকে ফাইনাল পরীক্ষা পর্যন্ত উঠিয়ে নেবে না। তবুও তাদের কলেজে যাওয়ার জন্য তেমন একটা অনুমতি পাওয়া বা সেরকমভাবে কলেজে যাওয়া হতো না। তাই সে বাসায় থেকে বেশির ভাগ পড়ালেখা করতো। এমন যদি কোন প্রয়োজন হতো তাহলে সে কলেজে যেতত। সে কলেজে তেমন না গিয়ে সে বাসা থেকে পড়ালেখাটা চালিয়ে যেত। যদি না যদি কোন প্রবলেম হতে পারে পড়ালেখা বুঝতে পারতো না। ওরকম কিছু হতো তাহলে সে তার বান্ধবীদের কাছ থেকে সেটা জেনে নিত। এবং বেশি যদি বিশেষ প্রয়োজনে অথবা কোন বেশি প্রবলেম হত তাহলে সে মাঝে মাঝে কলেজে যেত। তবে খুব বেশি না।

মেয়েদের চোখে দু রকমের অশ্রু থাকে । ভালোবাসার গল্প কথা । Bangla love story পড়তে চাপ দিন

বর্তমানে ছেলেমেয়েরা বিয়ে পাকাপাকি হলে শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে ভাবে বা শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে কথা বলে। এবং যখন বিয়ে হয়ে যায় যদিও উঠেয়ে না নেয়। শুধু বিয়ে বা কাবিন হয়। বিয়ে হলো অনেক ছেলেমেয়ে বর্তমানে শারীরিক সম্পর্ক করে।

যদিও নীলিমার সরোয়ারের বিয়ে হয়ে গেছে। তবুও তারা শারীরিক সম্পর্ক করছে না। শারীরিক সম্পর্ক তো দূরে থাক তারা শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে তেমন কথা বলছে না। এমনকি তারা শারীরিক সম্পর্ক উন্নয়নের কোন কথাবাত্রা বলছে না। তারা স্বাভাবিক ভাবে কথা বলছে এতোটুকু। ভালবাসার গল্প ডিভোর্সি বউ 

তারপর,

চলবে।।।

১২ তম পর্ব এই লিংকে পাবেন।

পরের পর্বগুলো bdlovestory.com এ পাবেন।

Post a Comment

Previous Post Next Post