ভালোবাসার গল্প ডিভোর্সি বউ
লেখক সোহেল মাহমুদ
পর্ব ১৪ - Bd love story

এভাবে তাদের হালকা কথা বার্তা চলে। আর নীলিমার পড়ালেখাও।

এভাবে করে নীলিমার ফাইনাল পরীক্ষা শেষ।

তখন নীলিমার বিয়ে পাকাপাকিভাবে উঠিয়ে যাওয়া নিয়ে কথা হতে লাগল।

ভালবাসার গল্প ডিভোর্সি বউ - পর্ব ১৪ - Bangla love story - Bd love story

তো নীলিমার পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নীলিমার শ্বাশুড়ী নিয়ে নীলিমাদের বাড়িতে আসে। যদিও নীলিমার শাশুড়ি মানে নীলিমার শ্বশুর বাড়ির কেউ নীলিমাদের বাসায় তেমন একটা আসেনা। 
একটা কি আসে না বললেই চলে। 
তো যখন পরীক্ষা শেষ হল তখন তারা নীলিদের বাসায় আসল। নীলিমার শ্বাশুড়িও শ্বশুরবাড়ি এসে নীলিমার বাবা-মার সাথে কথাবার্তা বলল এবং নীলিমাকে উঠিয়ে নেওয়া দিন তারিখ ঠিক করল।

ভালবাসার গল্প ডিভোর্সি বউ - পর্ব ১৩ - Bangla love story - Bd love story

আর নীলিমার সাথে কথা টথা বলে আর কি তার সাথে কথাটা বললো। বলে তাকে বোঝাল এবং তাকে প্রস্তুত হতে বলল আরকি। বলল যে তাদের বাড়ির বাসায় যাওয়ার জন্য। এতদিন তো থাকলেও এখন আর তো থাকা যাবেনা। পরীক্ষার যেহেতৃ শেষ সেহেতু এখন তাদের বাসায় যেতে হবে।

নীলিমা হা না কিছুই বলল না। কেবল মাথা নেড়ে সাই দিল। তার কান্না মারা গেছে
অনেকটা শক্ত হয়ে গিয়েছে। এখন নীলিমা কান্নাকাটি তেমন করোনা। নীলিমা অনেক জমে গেছে। সবার কথার উপরে কিছুই বলে নি কারণ নিলে যাবে। না নিলে যাবে না এতোটুকুই।

কিন্তু কেউ সেটা বুঝতে পারছে না। সবাই ভাবছে নীলিমার বিয়ের জন্য মত আছে। এবং সে কারো উপর কোন রাগ নেই। কোন অভিমান নেই। সে স্বাভাবিক হয়ে গেছে। আগে তো অনেক বেশি কান্নাকাটি করত বিয়েতে রাজি না হওয়ার জন্য। বিয়ে না বসার জন্য। ওই বাসায় না যাওয়ার জন্য। কিন্তু এখন ও সেরকম কিছুই করছে না। সে এখন রাজি এবং সে কোন কিছুই করবেনা। সে খুশি মনে বরের বাসায় যাবে।

তো দুই বেয়াইন এবং দুই বেয়াই চারজনে মিলে ঠিক করলো বিয়ের দিন তারিখ।

তো তারা ঠিক করল যে আগামী এত তারিখ এ নীলিমা এবং সরোয়ার বিয়ে হবে। বিয়ে বলতে কি উঠিয়ে নেওয়া হবে আরকি। এর মাঝে গায়ে হলুদ রং কেনাকাটা করতে হবে তো।

তো কথাবার্তা সবকিছুর পরে তারা চলে গেল এবং নীলিমা সালাম সালাম জানিয়ে দিলো। তারা চলে গেল।

রাতে সরোয়ার নীলিমাকে কল করল। তাদের মাঝে সে স্বাভাবিক কথাবার্তা। বিয়ের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে হালকা হতো। কয়েকটা কথা হয়েছে তাদের মাঝে যে বিয়েতে প্রস্তুত কি না এতোটুকুই। আর হয়তো এ ধরনের কোনো কথাই বলে নি মানে প্রস্তুত কি না সে নিজে। আরে কেনাকাটা যে কবে ডেটটা ফিক্সট করবে সেটা নিয়ে আর কিছু কথা হয়েছিল। হালকা কিছু কথা কি যে কবে নাগাদ ডেট নির্ধারণ করে দিয়েছে। তাদের দুজনের পোশাক-আশা কেনাকাটা হবে বা অন্যদের জন্য কিনবে সেগুলো কবে নাগাদ কেনাকাটা করা যেতে পারে সেগুলো নিয়ে। 

তারপর রাতে নীলিমার রুমে নীলিমার বাবা-মা প্রবেশ করল। তারা বলল দেখ মা তোরতো পরীক্ষা শেষ। এখন তো ওরা আসলো। এবং কথা বলে জানানো যে তোকে উঠিয়ে নিয়ে যেতে চায়। তুই কি বলিস কোন সমস্যা নেই তো?

নীলিমা বললো না মানে সে মুখে বলা নেই জাস্ট চুপ করে ছিল। তো এতে তারা বুঝে নিয়েছিল যে সে রাজি।

তারপরে তারা বলল যে কেনাকাটার জন্য কোন নির্ধারিত তোর দিন আছে কিনা। সে ক্ষেত্রে কিছু বলল না।

তো তারা নীলিমাকে বলল তাহলে আগামী সপ্তাহে এই দিনে তুই আমরা কেনাকাটা করতে যাবো রেডি থাকবি।

ভালোবাসার গল্প কথা | যে আপনাকে ভালবাসবে সে আপনাকে সকল পরিস্থিতিতে ভালবাসবে


যদি তোর কোন দিনটি নেই তাই দিনে গেলে ভালো হবে। আর যদি তুই কাউকে নিতে চাস তাহলে তোর বান্ধবীকে বলে রাখিস। সিমা আফরিন যে কেউ যায় তাকে বলে রাখিস। এই দিনে আমরা শপিং করতে যাব। তোর বিয়ের কেনাকাটা করতে যাবো।

নীলিমার বাবা মা রুম থেকে বের হয়ে তারা সরোয়ারের মাকে কল দিল।

তারপর,,

চলবে।।।

এর আগের পর্ব পেতে এই লিঙ্কে চাপ দিন।

আর এর পরবর্তী পর্ব bdlovestory.com এ পাবেন।

Post a Comment

Previous Post Next Post