পেটের ক্ষুধার চেয়ে মনের ক্ষুধা বেশি



আমাদের সবারই সুখ খুজে পাইনি। তোমায় কারো মনের কথা জান না। মনের সুখ বুঝ না। তা ঠিক না ক্ষুধা ছাড়া কি মানুষ থাকতে পারে? অবশ্যই থাকতে পারেনা। তবে একেক ক্ষুধার জ্বালা একেক রকম। সব ক্ষুধা তো আর একরকম হয় না। তাই না। কারো জন্য মনের ক্ষুধাটা বেশি ইম্পর্টেন্ট। কারো জন্য পেটের ক্ষুধাটা ইম্পরট্যান্ট। যার কাছে যে টা লাগে তার কাছে ততটা সেটা আগে। আপনার কাছে যদি পেট ভরাটা আগে হয়ে থাকে তাহলে মনের কথাটা কি আপনি অনুভব করতে পারবেন। না। আবার যদি আপনার কাছে মনের ক্ষুধা টাকে আগে মনে হয় মনের কথাটা আপনি অনুভব করেন। তাহলে পেটের ক্ষুধা তখন অনুভব হবে না। তখন আপনার কাছে সহজে অনুভব হবে তখন মনের কথাটাই প্রাধান্য পাবে।

দেখো পেটের খুদায় বড় নাকি মনের ক্ষুধা বড় সেটা টোটালি তোমার উপর নির্ভর করে। তুমি কাকে প্রাধান্য দেবে আমরা সবাইতো আর সবকিছু কে প্রাধান্য দেয় না। তুমি কোনটাকে প্রাধান্য দেবে সেটার উপর নির্ভর করে হল কথা।

তবে আমরা বেশিরভাগ মানুষই কিন্তু মনের ক্ষুধা কে প্রাধান্য দিয়ে থাকি। আমি বেশিরভাগ মানুষের মনটাকে আমরা প্রাধান্য দেয়। মনের সুখে আমরা থাকলে সুখটাকে পেটের ক্ষুধাটা কেন হয় জানি না।

তবে আবার অনেক সময় মনের  সুখটা রেখে মাটিচাপা দিয়ে আমাদেরকে পেটের সুখটা খোঁজার চেষ্টা করতে হয়। পেটের জন্য আর খুঁজতে হয় পেটের আহারের জন্য। আমরা মনের সুখটাকে একটু ধমক দিয়ে রাখি। একটু থামিয়ে রাখি। তবে সামরিকভাবে আমরা ধমক দিয়ে থামিয়ে রাখলো মনের শক্তি আমরা পরবর্তীতে জাগিয়ে তোলি। যে আমাদের কাছে অধিক প্রাধান্য। আমরা হয়তো তাকে মাটিচাপা দিতে পারি না। কিছু সময়ের জন্য আমি রাখি মাত্র। পেট নিবারণ করে একটু শক্তপোক্ত করে মনের সুখে হরন করার জন্য কেঁদে যখন আমাদেরকে একটু করে আমরা নির্ধারণ করি তখন আবার মনের সুখে থাকি আমরা কাছে টেনে আনি।

আবার অনেক সময় আমরা পেটের সুখটাকে ধামাচাপা দিয়ে মনের সুখের পেছনে দৌড়ায়। আমাদের কাছে পেটের সুখটা তখন কিছুই না। মন থেকে পালানো দিতে হবে। মনের সুখ পূরণ করতে হয়। পেটের সুখের কথা চিন্তা না করে আমরা মনুষ্য পিছনে দৌড়ায়। যেখানে মনের সুখে আছি আমরা সেখানেই চলে যায়। সেখানে আমাদের মনের শক্তিকে কাছে টেনে আপন করে নেই।

আবার মনে করো তোমার কাছে মনের সুখ নেয়। পেটের অনেক সুখে আছে। তোমার কাছে অনেক কিছু আছে। তুমি তোমার পেটকে সান্ত্বনা দিতে পারবে। অনেকদিন যাবত রাখতে পারবে সবকিছু করতে পারবে। কিন্তু তোমার যে মনের সুখ টা প্রয়োজন সেটা তোমার কাছে নেই। তোমার মনে বিন্দুমাত্র সুখ নেই। তোমার সুখ আর মানুষটা তোমার কাছে বিক্রি করবেন তখন কি তোমার পেটে সুখটা তোমাকে সুখী রাখতে পারবেন। না। মোটেও না। তুমি তোমার পেটটা দিয়ে তোমার মন কি সুখে থাকতে পারবে। না। তোমার কাছে তখন অসুখের মনে হবে। দেখাও তোমার কাছে পেটের জন্য অনেক অনেক দিনের সুখ আছে কিন্তু মনের মাঝে সুখ মনে হয় নেয়।

আবার যদি ধরো আছে তোমার মাঝে মনের সুখ আছে। তোমরা দুজনে সুখী দুজনের মাঝে মনের সুখ। অনেক তোমাকে তো তোমাদের মাঝে পেটের সুখ নেয়। তবুও তোমরা অপেক্ষাকৃতভাবে সুখি। কারন তোমাদের মাঝে মনের শক্তি বিদ্যমান আছে। হয়তো তোমরা কখনো পেটের সুখ পেয়ে যাবে। মনটা খুশি করে সেটা তোমরা হয়তো পাবে। হয়তো কিছুদিন আগে বা পরে পেটের সুখ মনের সুখটা আনবে। তোমরা হয়তো অনেক সুখে থাক, যেটা পেটের সুখকে ছাড়িয়ে যায়।

তাই পেটে সুখের চেয়ে মনের সুখ অনেক বেশি।

Post a Comment

Previous Post Next Post